রমজানে খাদ্যপণ্য শতভাগ নিরাপদ রাখতে মাঠে নামছে মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। রোজার এক মাস আগেই নিত্যপণ্যের গুণগত মান ঠিক রাখতে প্রায় ১৫০টি পণ্যকে বিশেষ নজরদারিতে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-পুলিশের সমন্বয়ে ২৫ সদস্যের একটি দল মাঠে নামানো হচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার থেকে পণ্যের নমুনা সংগ্রহে মাঠে নামবে দলটি। এ ছাড়া রোজায় ভেজালবিরোধী অভিযান চালাতে ১৫টি ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে নামাবে বিএসটিআই, যা অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি।

এদিকে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন সূত্র জানায়, রোজায় নিত্যপণ্যের দাম যেন অহেতুক না বাড়ে, তা কঠোরভাবে মনিটর করা হবে। সার্বিক বিবেচনায় এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের আওতা বাড়ানো হয়েছে। এ জন্য সংশোধনী আনা হয়েছে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনেও। যোগ হয়েছে নতুন আরও কিছু পণ্য। বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে বিভিন্ন স্তরে পণ্যগুলোর মূল্য নির্ধারণ করে দেবে সরকার।

সূত্র জানায়, ১৯৫৬ সালের আইনানুযায়ী অত্যাবশ্যকীয় পণ্য তালিকায় ছিল শুধু চিনি ও ভোজ্যতেল। এর সঙ্গে আরও ১৫টি পণ্য যোগ করা হয়েছে। সেগুলো হলো- পিঁয়াজ, রসুন, মসুর ডাল, ছোলা, শুকনা মরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ, ধনে, জিরা, আদা, হলুদ, তেজপাতা ও খাবার লবণ। এর বাইরে অত্যাবশ্যকীয় নয়, কিন্তু ইফতার বা সেহরিতে প্রয়োজন, এমন অনেক পণ্যও এবার নজরদারিতে আসছে।

অন্যদিকে বিএসটিআইয়ের মতো রোজার বেশ আগেই নড়েচড়ে বসেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। দাম স্থিতিশীল রাখতে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, খেজুর এবং মসুর ডালের মজুদ আগেভাগেই নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ সমন্বয়সভা থেকে রমজানের আগেই আমদানির পরিবর্তে প্রয়োজনে দেশীয় বাজার থেকেই সরকারি উদ্যোগে পণ্য মজুদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে স্থানীয় বাজার থেকে প্রাথমিকভাবে ভোজ্যতেল কেনার কার্যক্রমও শুরু করেছে টিসিবি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here