আগামী ১ মে পবিত্র শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাত। এ রাতকে ‘লাইলাতুন মিন নিসফি শাবান’ বলা হয়। রমজানের আগের মাস হলো শাবান। প্রিয় নবী (সা.) রজব মাস এবং এ মাসেও দু’আ করতেন।

এ রাতের ফজিলতের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা আছে। তবে কোরআন-সুন্নাহর সঠিক জ্ঞানই এই পথ থেকে আমাদের মুক্তি দিতে পারে। আর এতে মুসলিম উম্মাহর বিভাজনের রেখা অনেকাংশেই মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তাৎপর্য:

এই রাত্রি সম্পর্কে হযরত মোহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘এই রাত্রিতে এবাদতকারীদের গুণাহরাশি আল্লাহ তা’আলা ক্ষমা করে দেন। তবে কেবল আল্লাহর সাথে শিরককারী, সুদখোর, গণক, যাদুকর, কৃপণ, শরাবী, যিনাকারী এবং পিতা-মাতাকে কষ্টদানকারীকে আল্লাহ মাফ করবেন না।’

অন্য এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে হুজুর (সা.) বলেছেন, ‘জিব্রাইল (আ.) আমাকে বলেছেন, আপনি আপনার উম্মতদের জানাইয়া দেন যে, তারা যেন শবে বরাতের রাতকে জিবীত রাখে। অর্থাৎ, সারারাত তারা যেন ইবাদতের মাঝে কাটাইয়া দেয়।’

আরেকটি হাদীসে রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘এই রাত্রে আসমান থেকে ৭০ লক্ষ ফেরেশতা যমীনে আসিয়া ঘুরিয়া ফিরিয়া এবাদতকারী-দিগকে পরিদর্শন করেন এবং তাদের এবাতদ সমূহ দেখতে থাকেন।’

অন্য হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি শাবান চাঁদের ১৫ তারিখে রাতে এবাদত করবে এবং দিনে রোজা রাখবে, দোজখের আগুন তাকে স্পর্শ করতে পারবে না।’

আরও এক হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা শবে বরাতকে সম্মানিত মনে কর। এটা শাবান চাঁদের ১৫ তারিখের রাত্রি। এই রাত্রে যারা এবাদতে মগ্ন থাকে তাদের প্রতি আল্লাহ পাকের রহমতের ফেরেশাতাগণ আবতীর্ণ হয়। আর আল্লাহ তাদের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেন।’

এক হাদীসে এসেছে নবী কারীম (সা.) বলেছেন, ‘এই রাতে আল্লাহ তা’আলা মোমিন মুসলমাদিগকে ডাকিয়া বলেন, আজ আমার যে বান্দা মার্জনা কামনা করবে, আমি তাকে মার্জনা করে দেব। যে বান্দা সাস্থ্য কামনা করবে, তাকে সাস্থ্য দান করব। যে বান্দা ধনৈশ্বর্যের কামনা করবে, তাকে ঐশ্বর্যশালী করে দিব।”

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here