না ইরাক-আফগানিস্তান যুদ্ধের জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ নন। বলা হচ্ছে তার বাবা আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট সিনিয়র বুশ বলে পরিচিত জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের কথা। যিনি কি না দায়ী ১৯৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্র-ইরাক যুদ্ধের জন্য। নিজের স্ত্রী ও সাবেক ফার্স্টলেডি বারবারা বুশকে চিরবিদায় জানানোর একদিন পর মারাত্মক অসুস্থাবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাকে রাখা হয়েছে ইনটেনসিভ কেয়ারে বা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন। সোমবার বুশ পরিবারের মুখপাত্র জিম ম্যাগ্রা এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে, সিনিয়র বুশের রক্তে একটি সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। এ জন্য তাকে রোববার সকালে ভর্তি করানো হয়েছে হয়েছে হাউসটন মেথোডিস্ট হাসপাতালে।

ম্যাকগ্রা বলেছেন, চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন বুশ। দেখে মনে হচ্ছে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। আমরা এ বিষয়ে পরে আপডেট জানোবো। রিপাবলিকান দল থেকে নির্বাচিত সাবেক এই প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলেছেন, বুশের রক্তে যে সংক্রমণ ধরা পড়েছে তা মারাত্মক। এ থেকে পচন রোগ সৃষ্টি হয়, যা প্রাণহানীর কারণ হতে পারে। জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের অবস্থা সঙ্কটজনক ছিল বলে তিনি বর্ণনা করেন।

বাবা জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের হুইলচেয়ার ঠেলে নিচ্ছেন ছেলে জর্জ বুশ

ওই সূত্র আরো বলেন, জর্জ বুশের রক্তের চাপ দ্রুত নেমে যেতে থাকে। বেশ কয়েকবার উদ্বেগ দেখা দেয় তাতে। মারাত্মক সংশয় দেখা দেয় যে, তিনি হয়তো কোমায় চলে যাচ্ছেন। তবে তিনি স্থিতিশীল ছিলেন। সূত্রটি বলেন, বুশের বয়স হয়েছে। সেটা, তার স্বাস্থ্য ও সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রাখলে একে গুরুত্বর হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়। কয়েক বছর আগে বুশ জানান যে, তিনি পার্কিনসন রোগে ভুগছেন। এর ফলে তিনি হাঁটার শক্তি হারিয়েছেন। তাই তাকে চলাফেরা করতে হয় হুইলচেয়ারে না হয় স্কুটারে করে।

তার এই অসুস্থতা ও হাসপাতালে ভর্তির বিষয়টি পুরো পরিবারকে হতাশায় ফেলেছে। কারণ, গত মঙ্গলবারেই মারা গেছেন তার স্ত্রী বারবারা বুশ। এ সময় পর্যন্ত তাদের ছিল ৭৩ বছরের দাম্পত্য জীবন। এ জন্য আগে থেকেই পারিবারিক উদ্বেগ ছিল যে, বারবারা মারা গেলে কিভাবে তা মেনে নেবেন বুশ, তার ভিতর কি প্রতিক্রিয়া হবে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here