প্রায় দুই মাস পর পর্ন তারকা স্টেফানি ক্লিফোর্ড ওরফে স্টর্মি ড্যানিয়েলের করা অভিযোগের জবাবে গেল মাসের শুরুর দিকে প্রথম মুখ খুলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, তার আইনজীবী মাইকেল কোহেন পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসের মুখ বন্ধ রাখতে এক লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার দিয়েছে কিনা তিনি তা জানেন না।

এর আগে ড্যানিয়েলস দাবি করেছেন, ট্রাম্প তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে তার মুখ বন্ধ রাখতে আইনজীবীর মাধ্যমে টাকা দিয়েছেন।

তবে এবার নতুন করে বেকায়দায় পড়েছেন ট্রাম্প। তার বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটলেন পর্নস্টার স্টর্মি। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন নীল দুনিয়ার এই তারকা।

স্থানীয় সময় সোমবার নিউইয়র্কের একটি আদালতে মানহানির মামলা দায়ের করেন স্টেফানি। নীল সুন্দরীর অভিযোগ, টুইট করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যে ও অপমানজনক মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। মামলায় ভাবমূর্তি নষ্টের অভিযোগ জানিয়ে ৭৫ হাজার মার্কিন ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন স্টেফানি। এছাড়াও মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া ও চাপ সৃষ্টির অভিযোগও করেছেন তিনি।

এর আগে ট্রাম্পের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক রয়েছে এমনটা দাবি করে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন স্টর্মি। অভিযোগ নির্বাচনের আগেই ব্যক্তিগত আইনজীবী মারফত টাকা দিয়ে ওই পর্নস্টারের মুখ বন্ধ করেছিলেন ট্রাম্প।

সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে স্টেফানিকে জালিয়াত তকমা দিয়েছেন ট্রাম্প। এমনকী একটি টুইট করে তিনি বলেন, ‘স্টেফানি জালিয়াত। সাজানো অভিযোগ তুলে মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছেন তিনি। যদিও সবাই তার ছলনা বুঝতে পারছে।’

স্টর্মির আইনজীবী বলেন, ‘আমাদের মামলার জন্য ট্রাম্পের এই বক্তব্য অনুকূলেই যাবে। কারণ এই বক্তব্যের মাধ্যমে আমরা এটা ভাল করে পরীক্ষা করতে পারবো যে, ট্রাম্প সত্যটাকে না জানার ব্যাপারে ভান ধরেছেন কিনা।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here