সব নায়িকাই চান চরিত্রপ্রধান ছবিতে কাজ করতে। কিন্তু চাইলেও সেটা পারছেন না অনেকেই। তাই বাধ্য হয়েই অভিনয় করছেন তথাকথিত নায়কপ্রধান বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে। তর চেয়েও বড় কথা হলো, কলকাতার নায়িকাদের হাতে কোনো ছবিই নেই।

এসকে মুভিজ বাণিজ্যিক ছবিতে টাকা লগ্নি করলেও শ্রী ভেঙ্কটেশের মতো প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে ভিন্ন মেজাজের গল্পে। আর তাতে স্বাভাবিকভাবে সেখানকার নায়িকাদের বেকারত্ব বাড়ছে। ফলে তাদের নজর বাংলাদেশে। এ দেশের ছবিতে সরাসরি অভিনয় না করলেও শ্রাবন্তী, শুভশ্রীরা লড়াইয়ে টিকে থাকতে হাতে নিয়েছেন যৌথ প্রযোজনার ছবি।

আর তুরুপের তাস হিসেবে তারা পেয়েছেন ঢালিউড কিং শাকিব খানকে। এরই মধ্যে শ্রাবন্তী এবং শুভশ্রী বুঝেও গেছেন, বাংলাদেশের বাজারে সফলতা আনতে হলে শাকিবের হাত ছাড়া যাবে না। সেটা প্রমাণের অপেক্ষায় রয়েছেন সায়ন্তিকা ও নুসরাত জাহানও। তবে এসব নায়িকাদের টিকে থাকতে হলে এ দেশের নায়িকাদের সঙ্গেও লড়াই করতে হবে। বিশেষ করে বুবলী, অপু, মাহি, পরীমনি তাদের থেকে কম জনপ্রিয় নন।

২০১৬ সালে এসকে মুভিজ ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার হাত ধরে জুটি বাঁধেন শাকিব খান ও শ্রাবন্তী। ছবির নাম ‘শিকারী’। মুক্তির পর বাংলাদেশে ভালো ব্যবসা করে ছবিটি। পরের বছর একই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে জুটি বাঁধেন শাকিব খান ও শুভশ্রী। তাদের ছবিটির নাম ছিল ‘নবাব’। গেল বছরের কোরবানি ঈদে মুক্তি পাওয়া ছবিটি নবাবী করেছে সিনেমা হলে।

তবে মুক্তি পাওয়া ‘সত্তা’ নামের ছবিটিতে কলকাতার পাওলি দামের সঙ্গে জুটি বেঁধে সুবিধা করতে পারেননি শাকিব। যদিও নিজের ব্যতিক্রমী অভিনয়ের স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। এবার অপেক্ষা রয়েছে শাকিবকে নিয়ে সায়ন্তিকা ও নুসরাত জাহানের ছবি ‘মাস্ক’ মুক্তির। কলকাতার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের ব্যানারে একক প্রযোজনাতেই ছবিটি নির্মিত হচ্ছে। সাফটা চুক্তিতে এটি মুক্তি পাবে বাংলাদেশেও। আশাবাদী কলকাতার দুই নায়িকা। তারাও স্বপ্ন দেখছেন শ্রাবন্তী এবং শুভশ্রীর মতোই তারা বাংলাদেশে সফল হবেন।

তবে কলকাতার নায়িকা হিসেবে শাকিবের বিপরীতে সর্বপ্রথম কাজ করেন স্বস্তিকা মুখার্জি। এফআই মানিক পরিচালিত ছবিটি বাংলাদেশে মুক্তি পায় ‘সবার উপরে তুমি’ নামে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here