চুলা জ্বালানোর কাঠ আনতে গিয়েছিলেন ৩৫ বছর বয়সী গৃহবধূ দেবেন্দ্রী। এ সময় কাঠের গাদার মধ্যে থাকা একটি সাপে কামড় দেয় তাকে। দৌড়ে বাড়িতে এসে ঘটনা তার স্বামী মুকেশকে বলেন তিনি। স্থানীয় এক ওঝাকে ডেকে আনেন মুকেশ।

মুরারি নামে ওই ওঝা এসে পাঁচ সন্তানের মা দেবেন্দ্রীকে গোবর দিয়ে ঢেকে রাখাতে বলেন। তিনি বলেন, ‘গোবর ওই নারীর শরীর থেকে সাপের বিষ শুষে নেবে।’

ঘটনার আকস্মিকতায় ওঝার পরামর্শে স্ত্রীকে গোবরের নিচে কবর দিতে রাজি হয়ে যান মুকেশ। ঘটনা ভারতের উত্তর প্রদেশের বুলান্দশাহর এলাকার। ঘটনা দেখতে আশপাশের মানুষ জড়ো হয় মুকেশের বাড়ির পাশে।

ওঝার পরামর্শে গরুর গোবর জড়ো করে আপাদমস্তক ঢেকে রাখা হয় দেবেন্দ্রীকে। মন্ত্র পাঠ করতে থাকেন সাপুড়ে। ১ ঘন্টা ১৫ মিনিট পর বের করা হয়। ততক্ষণে শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে তার।

স্বামী মুকেশ মিরর বলেন, ‘আমার স্ত্রী জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে গেলে তাকে সাপে কামড়ায়। আমরা কিছু ওষুধ পথ্য ব্যবহার করেছিলাম। তার হাতে রশি দিয় ভালোভাবে বেঁধেছিলাম। কিন্তু ওঝা এসে তাকে গোবরের নিচে ঢেকে রাখতে বললো, আমরাও সেটাই করলাম।’

তিনি বলেন, ‘ওঝা খুবই আত্মবিশ্বাসী ছিলো। আমরা তাকে গোবরের নিচে ৭৫ মিনিট রাখলাম। আমি কখনও ভাবিনি সে মারা যাবে। আমি ভেবেছিলাম এটা কাজ করবে এবং সে বেচে যাবে।’

এ বিষয়ে ওঝা মুরারি বলেন, ‘জন্তু জানোয়ারের চিকিৎসক হিসেবে এই এলাকায় আমি পরিচিত। আমার মনে হয়, সাপটি ছিলো গোখরা সাপ এবং হ্যাঁ, কবর দেয়ার কারণেই সে মারা গেছে।’ -মিরর অনলাইন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here