দক্ষিণ কোরিয়ার একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়মিত কাজের সময় একটি ময়লা ফেলার বাক্সে যা পেয়েছেন তা নিয়ে রীতিমত হইচই পড়ে গেছে দেশটির গণমাধ্যমে।

সাত সাতটি সোনার বার পেয়ে প্রায় তারকা হয়ে গেছেন তিনি। একই সাথে পাল্টে যাবে জীবনও-এমন আলোচনাও চলছে তাকে ঘিরে।

মূলত বিমানবন্দরের পরিচ্ছন্নতা কর্মী তিনি। সেখানেই একটি ময়লা ফেলার বাক্সে তিনি সাতটি সোনার বার পান তিনি, যার বাজার মূল্য প্রায় তিন লাখ ত্রিশ হাজার ডলার।

বারগুলোর প্রতিটির ওজন প্রায় এক কেজি। এগুলো পত্রিকা দিয়ে মোড়ানো ছিল পুলিশের সন্দেহ, ধরা পড়ার ভয়ে কেউ এগুলো ফেলে চলে গেছে। তবে এ মূহুর্তে এসব সোনার বারকে ঘিরে কোন ধরনের অপরাধী বা অপরাধের যোগসূত্র নেই।

আর কাউকে যদি মালিক হিসেবে না পাওয়া যায় – তাহলে নিয়মানুযায়ী ওই পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিজেই এগুলোর মালিকানা দাবি করতে পারবেন।

দেশটিতে এ ধরনের খুঁজে পাওয়া দ্রব্যের মালিকানা সংক্রান্ত একটি আইন আছে। সেই আইন অনুযায়ী আগামী ছয় মাসের মধ্যে কেউ সোনার বারগুলোর মালিকানা দাবি না করলে ওই পরিচ্ছন্নতাকর্মীই এর মালিক হতে পারবেন।

যদিও দক্ষিণ কোরিয়া টাইমস পত্রিকা বলছে, মালিক হওয়ার পর তিনি সোনার মূল্যের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত দাবী করতে পারবেন, যা সর্বোচ্চ হবে ৬৫ হাজার ডলার পর্যন্ত।

তবে এটিও পরিষ্কার নয় যে বাকী অর্থের মালিকানা কে পাবে – সরকার নাকি পুলিশ। খবর বিবিসির।

কিন্তু পরিমাণ যাই হোক, যেভাবে সোনার বারগুলো পাওয়া গেছে তাতে অনেকটাই নিশ্চিত যে প্রাপ্ত অর্থমূল্যে পাল্টে যাবে ওই পরিচ্ছন্নতা কর্মীর জীবন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here