কথায় আছে না- যেমন কর্ম তেমন ফল। ঠিক তেমনটাই হয়েছে ময়মনসিংহের ত্রিশালে। রাতের আঁধারে বিধবাকে ধর্ষণ করতে গিয়ে নিজের পুরুষাঙ্গটাই হারিয়েছেন এক যুবক। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নের কৈতরবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তবে নিজের ইজ্জত রক্ষা করতে পারলেও পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পাননি ওই বিধবা।

ত্রিশাল থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে কৈতরবাড়ী এলাকার ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে পার্শ্ববর্তী ভালুকার উথুরা ইউনিয়নের মেঞ্জেনা গ্রামের কাউসার (৪০)। জোরপূর্বক বিধবাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ইজ্জত রক্ষায় দীর্ঘ সময় ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে কাউসারের পুরুষাঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে দেন ওই নারী।

পরে ওই যুবকের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন তাকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কাওসার ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের মেঞ্জেনা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মজিদের ছেলে। স্থানীয় বাজারে সেনিট্যারি ব্যবসা করে।

ওই নারীর এক নিকটাত্মীয় জানান, গত মাসে ওই নারীর বাড়িতে একটি টিউবওয়েল স্থাপনের দায়িত্ব নেয় স্যানিটারি ব্যবসায়ী কাউসার। তখন থেকে তার কুনজর পড়ে ভিকটিমের প্রতি। বিভিন্ন টালবাহানায় কাউছার তার বাড়িতে আসতো। গত সপ্তাহে টিউবওয়েল স্থাপনের টাকা পরিশোধ করা হলেও ছিল তার নানা বাহানা। বৃহস্পতিবার রাতে সুযোগ পেয়ে আকস্মিকভাবে বাড়িতে এসে বিধবার ইজ্জত নষ্টের চেষ্টা করে।

তবে কাউছারের দাবি, ত্রিশালের কইতর বাড়ি এলাকার সোহাগ নামে এক ব্যাক্তির কাছে সে এক লাখা টাকা পেত। ওই টাকা আনতে গেলে সোহাগের সঙ্গে থাকা চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাত লোক কাওসারকে ধরে তার পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়।

এ সময় তার ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে স্থানীয়রা গুরতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here