বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম কোরআন শরীফের মালিক এখন বাংলাদেশ। আর সেটি রয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে। রাজধানী উত্তর মুগদা পাড়ার জহির উদ্দিন আহমেদ এটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছে হস্তান্তর করেন।

২৫৭ পৃষ্টার এ কোরআনের দৈর্ঘ্য মাত্র ১ ইঞ্চি, অর্থাৎ ২ দশমিক ৫৪ সেন্টিমিটার। আর প্রস্থ দশমিক ৭৫ ইঞ্চি, উচ্চতা দশমিক ৭ মিলিমিটার এবং ওজন মাত্র ২ দশমিক ৩৮ গ্রাম। এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রাকৃতির কোরাআনের কপিটি ছিল পাকিস্তানের জাদুঘরে। যার দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। পাকিস্তানের সেই কোরআনের চেয়ে বাংলাদেশেরটি দশমিক ৬ সেন্টিমিটার ছোট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, জহির উদ্দীন আহমেদ ২০০৮ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে এসে পবিত্র কোরআনের কপিটি জমা দিয়ে যান। তিনি এ-ও বলেছেন যে, কোরআনের কপিটি তার কাছে থাকাটা নিরাপদ নয়। তাই তিনি এটি ফাউন্ডেশনের কাছে হস্তান্তর করেছেন।

কোরআনটির অক্ষর খুবই ছোট ও অস্পষ্ট। তাই বোঝা মুশকিল। খালি চোকে পড়া না গেলেও কোরআনটি ৩০ পারায় সম্পূর্ণ- তা স্পষ্ট।

এদিকে এক খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীর কাছেও কিছুদিন আগে ছোট কোরআন শরীফের সন্ধান পাওয়া যায়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওই নাগরিকের কাছে রক্ষিত আল কোরআন পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ছোট এবং প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো বলেও দাবি করা হয়েছিল।

ওই কোরআন শরিফটি উচ্চতায় ৫ দশমিক ১ এবং প্রস্থে ৮ সেন্টিমিটার। এতে পৃষ্ঠা আছে ৫৫০টি। কোরআনের ক্ষুদ্রতম এ কপিটি পাওয়া গেছে জেরুজালেমে আল কুদসের কাছে। এর হেফাজতকারীর নাম আমিল ঈসা। বংশ পরম্পরায় তিনি কোরআনের এ ক্ষুদ্রতম কপিটির মালিক হয়েছেন বলে নিজেই জানিয়েছেন।

এর কিছুদিন পরই সন্ধান পাওয়া যায় পাকিস্তানের জাদুঘরে থাকা ক্ষুদ্রাকৃতির কোরআনটির।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here