একসময় ভয়ঙ্কর জঙ্গি গোষ্ঠী আল কায়েদার প্রধান ওসামা বিন লাদেনের নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন তিনি। কিন্তু এখন জার্মান সরকার তাকে মাসে ১৪০০ ডলার (১ লাখ ১৮ হাজার টাকারও বেশি)‌ করে দেয়। সুস্থ জীবনে ফিরে আসতে পেরে খুশি সামি।

আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ার বাসিন্দা সামি ২০০০ সালে আফগানিস্তানে আল কায়েদা প্রধানের হয়ে কাজ করতেন। ৪২ বছরের সামি ১৯৯৭ সাল থেকে জার্মানিতেই বসবাস করছেন। তাকে সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনার জন্য জার্মান সরকার প্রতিমাসে তাকে এই বেদন প্রদান করে। জার্মানির সুরক্ষা সংক্রান্ত নীতি অনুযায়ী সামির পুরো নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

জানা যায়, স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে দু’‌দশক আগে সামি এ জার্মানিতে আসেন। ২০০০ সালে ওসামা বিন লাদেনের জঙ্গি গোষ্ঠীর জন্য তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, ২০০৫ সালে জার্মানির ডাসেলড্রফ আদালতে একটি মামলার শুনানি চলাকালীন সামির কথা জানতে পারে প্রশাসন। শুনানির সময় এক সাক্ষী আদালতকে জানান যে ওসামা বিন লাদেনের হয়ে সামি এ নামে এক ব্যক্তি কাজ করে। যদিও ওই সাক্ষী আদালতকে জানান যে তার সঙ্গে আল কায়েদার কোনও যোগ নেই।

বিচারকের কাছে সাক্ষীর বয়ান বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। ২০০৬ সালে আদালত সামিকে ‘‌জনগণের জন্য গুরুতর বিপদ’‌ বলে ঘোষণা করে এবং তাকে জার্মানিতে আশ্রয় দিতে অস্বীকার করে।

তবে সামিকে আদালতের পক্ষ থেকে ক্ষমা করে দেওয়া হলেও এখনও তার সঙ্গে ইসলামিক জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সামি তার স্ত্রী এবং ৪ সন্তানকে নিয়ে এখন জার্মানির বোচুমে থাকেন। তাকে প্রতিদিনই স্থানীয় থানায় গিয়ে হাজিরা দিয়ে আসতে হয়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here