লোহিত গ্রহ মঙ্গলে এখনো যেখানে মানুষ পৌঁছাতে পারেনি, সেখান থেকেই নাকি টাইমমেশিনে করে পৃথিবীতে এসেছেন এক তরুণী। এর স্বপক্ষে ওই তরুণী মঙ্গলগ্রহের একটি ছবিও দেখিয়েছেন। যা নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগা মাধ্যমে তুমুল আলোচনা চলছে।

মেরি নামের ওই তরুণীর দাবি, টাইম মেশিনে করে মঙ্গলগ্রহ থেকে তিনি অতীতের পৃথিবীতে এসেছেন। এর স্বপক্ষে মেরি যে ছবি দেখিয়েছেন, তাতে দেখা যায় লাল ভূ-পৃষ্ঠের মধ্যে উন্নত সব স্থাপনা দাঁড়িয়ে রয়েছে।

সাইত্রিশ বছর বয়সী এই তরুণীর দাবি, এক ব্যক্তির সাহায্যে তিনি ৩৮১২ সাল থেকে ২০১৮ সালে পাড়ি দিয়েছেন। অবশ্য পৃথিবীর মানুষ হলেও তিনি বসবাস করতেন মঙ্গল গ্রহেই। সেখানে পরিবেশের কারণে জনবসতি গড়ে উঠেছে মাটির নিচে। সেখানে রোবট দিয়ে সব কাজ করা হয়। তার সময়ে পৃথিবীর সঙ্গে মঙ্গলের যাতায়াত ব্যবস্থাও নাকি বেশ সহজ।তবে খুব বেশিদিন মঙ্গলে তার থাকার সুযোগ হয়নি।

সম্প্রতি একটি ব্রিটিশ গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন এই তরুণী

ছবির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেবার তিনি প্রথম মঙ্গল গ্রহে যান তখন দেখতে পান মরুভূমির মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য উঁচু ভবন। তখনই নাকি মেরি সুযোগ বুঝে ছবি তুলে ফেলেন। এছাড়া মঙ্গল গ্রহের আকাশে তিনি মহাকাশ যানও উড়তে দেখেছেন।

মেরি জানান, ৬০ বছর বয়সী যে ব্যক্তির সাহায্যে তিনি টাইম মেশিনে চড়ে অতীতের পৃথিবীতে এসেছেন তার নাম স্যার বেঞ্জামিন। ভবিষ্যতের মানুষ হলেও তার আবিষ্কার দিয়ে অতীত ও ভবিষ্যতে যেতে পারেন তিনি। সেই ব্যক্তি তাকে তার গবেষণাগারও দেখিয়েছেন।
অবশ্য আলাপ পরিচয় হলেও বেঞ্জামিন তাকে শুরুতেই টাইম মেশিনের কথা বলেননি। তার আগ্রহ দেখেই একপর্যায়ে তিনি সেটির রহস্য ফাঁস করেন। সেই মেশিনের সত্যতার প্রমাণ নিতে গিয়েই মেরির অতীতে চলে আসা। মেরি আরও বলেন, অতীতের পর ভবিষ্যতেও পাড়ি জমাবেন তিনি। কারণ সেটাই তার স্বপ্ন।

মঙ্গলগ্রহের ছবি হাতে মেরি

ভবিষ্যতের পরিবেশ সম্পর্কে মেরি বলেন, এখনকার সময়ের চাইতে ভবিষ্যতে পৃথিবীর পরিবেশ অনেক ভিন্ন। এখন যেমন নীল আকাশ দেখতে পাওয়া যায়, ভবিষ্যতের আকাশ তেমন নয়। সবুজের সমারোহও ভবিষ্যতের পৃথিবীতে নেই বলে জানান তিনি।
অবশ্য মেরির দাবি করা ছবি ও ভিডিও দেখে কেউ কেউ তাকে মানসিক রোগী বলে দাবি করেছেন। কেউ আবার বলেছেন, আলোচনার আসার জন্য মেরি নামের ওই তরুণী এসব কাল্পনিক গল্প তৈরি করেছেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here