ভারতের আসানসোলোর কালনা বাইপাসের ধারে গড়ে উঠেছে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। মমতা ব্যানার্জি ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ক্ষমতা গ্রহণের পরই নজরুলের নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

২০১২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। ২৬ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমার্বতন। যেখানে সম্মানিত ডিলিট উপাধি দেয়া হবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে।

ভিসি সাধন চক্রবর্তী বলেন, ‘শোষণ-হীন সমাজ গড়ে তোলার যে স্বপ্ন নজরুলের ছিলো সেটাকে বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান অবিস্মরণীয়।’

সমাবর্তনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কলকাতার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। যেখানে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে তাদের মধ্যে কথা হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ সম্মান দেয়ার সুযোগ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনসহ শিক্ষার্থীরাও উচ্ছ্বসিত।

উল্লেখ্য, ১৯ বছর আগে অটল বিহারী বাজপেয়ির সময় নজরুল জন্ম-শতবর্ষ উদযাপনে কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে চুরুলিয়ায় গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। ১৯ বছর পর আবারও কবির জন্মস্থানে পা রাখছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here