যৌতুকের নগদ টাকা পাত্র গুণতে না পারায় ভেস্তে গেল বিয়েটাই। মণ্ডপ থেকেই ফিরে যেত হলো বর এবং বরযাত্রীদের। ভারতের বিহার রাজ্যের সারন জেলার ডোমনছপড়া গ্রামের ঘটনা। তবে কোনও তরফ থেকেই কোথাও কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি। স্থানীয় পঞ্চায়েতের লোকেরাই বিষয়টি মিটমাট করেন। খবর আনন্দবাজার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডোমনছপড়া গ্রামের বাসিন্দা সকল দেব রায়ের মেয়ে রাধা কুমারীর সঙ্গে দানাপুরের হেতনপুর গ্রামের বাসিন্দা রামশঙ্কর রায়ের ছেলে অরবিন্দ কুমারের বিয়ে ঠিক হয়। শনিবার বরপক্ষের লোকেরা হাজির হতে প্রথমে রীতি মেনে পূজা করা হয়। কিন্তু তার পরেই পাত্রের আচরণে সন্দেহ হয় রাধার। গোটা বিষয়টি পরিবারের লোকেদের জানান তিনি।

রাধার বক্তব্য, যৌতুকের টাকার নোট নিয়ে এসে গুণতে দেয়া হয় পাত্রকে। কিন্তু পাত্র সেই টাকা গুণতে পারেনি। রাধা জানিয়ে দেন, এমন ছেলেকে বিয়ে তিনি করবেন না।

এ নিয়ে দু’পক্ষের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং দু’তরফের লোকেরা এর পরে সালিশি বসান। সেখানে মেয়ের কথাই মেনে নেয়া হয়। গোটা সমাজই মেয়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে তার কথাই মেনে নিচ্ছে, বিহারের যাদব সম্প্রদায়ের মধ্যে এমন ঘটনার নজির বিশেষ নেই।

সালিশি সভার সিদ্ধান্তে, বরপক্ষ নিজেদের গয়না ও উপহার ফেরত নেয়। পাশাপাশি, কন্যাপক্ষও তাদের দেয়া তিলকের সামগ্রী ফেরত নেন। বিয়ে না করেই ফেরত যেতে হয় অরবিন্দ কুমারকে।

রাধার সাহস ও বুদ্ধি দেখে অবশ্য স্থানীয় মধুরা থানার সিহোরিয়া গ্রামের ছেলে অজয় রায় বিয়ে করতে রাজি হয়ে যান। অজয়কে বিয়ে করে রবিবারই শ্বশুরবাড়ি চলে গিয়েছেন রাধা।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here