জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আগামী ৪ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছেন আদালত।

আজ মামলাটির যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া উপস্থিত না হওয়ায় যুক্তিতর্ক পেছানোর আবেদন করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার জামিন বাড়ানোরও আবেদন করেন তিনি।

তবে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হেসেন কাজল শুনানিতে অংশ নিয়ে জামিনের বিরোধিতা করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান যুক্তিতর্ক শুনানি পিছিয়ে ৪ জুন দিন ধার্য করেন এবং ওইদিন পর্যন্ত খালেদা জামিন বাড়ান।

দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল জানান, খালেদা জিয়াকে বারবার আদালতে হাজির না করায় মামলার কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। এ জন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করতে বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তবে সানাউল্লাহ মিয়া জানান, বাংলাদেশের আইনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ধরনের মামলা পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই। পাশাপাশি এ মামলায় খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য জামিনের আবেদন করেন তিনি।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুদক। মামলার অন্য আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদণ্ড হয় এবং তার পুত্র তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের পর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here