ইয়াসিন শুভ (২৩)। মানারাত ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারে অধ্যয়নরত ছিলেন। তার মা ইয়াসমিন বেগম। দুপুরে ছেলের দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে যান সোহারাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

তিনি বলেন, ‘আমার ছেলেই আমার একমাত্র আশা। বিকেলে সে ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস থেকে বাসায় ফিরছিল। আমার ছেলে বলতো পড়াশোনা শেষ করে পরিবারকে দেখবে। কিন্তু এখন কে দেখবে? কে এই পরিবারের ভার নেবে।’

মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াসিন শুভ

এর আগে শুক্রবার (১১ মে) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের আর লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে ইয়াসিনসহ তিনজন মারা যায়। আহত হয় আরও সাতজন।

শাহ আলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম জানান, দুপুরে চটবাড়ি এলাকায় কোনাবাড়ি পরিবহনের একটি বাস লেগুনাকে চাপা দেয়। এতে দুজন যুবক ও এক শিশু মারা যায়।

উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল ঢাকার কারওয়ান বাজারে দুই বাসের রেষারেষিতে মধ্যে পড়ে একটি হাত হারানোসহ মাথায় গুরুতর জখম হয়েছিল তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীব। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৬ এপ্রিল তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here