২শ টাকা দামের একটি চাইনিজ ব্লুটুথ স্পিকারের জন্য খুন করা হয় এসএসসি পরীক্ষার্থী আশরাফুল আলম জাহিদকে। ঘটনার পর কিশোর হত্যাকারী মোহাম্মদ উল্লাহ রাসেল ৪০ দিনের এক চিল্লায় যান বাগেরহাটে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দাবি, শনিবার গভীর রাতে বাগেরহাট থেকে আশরাফুল আলমকে তারা গ্রেপ্তার করেছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (গণমাধ্যম) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারের পর শনিবার রাতভর রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর কথা স্বীকার করেছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি কাফরুলের পুলপাড় ব্রিজের নিচের নর্দমা থেকে উদ্ধার করা হয়।

ডিবির একজন কর্মকর্তা জানান, জাহিদের সঙ্গে রাসেলের ব্লুটথ স্পিকার নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে জাহিদকে ছুরিকাঘাত করে। জাহিদকে বাঁচাতে এগিয়ে আসা রিয়াজকে ছুরিকাঘাত করে সে। হত্যাকাণ্ডের পরপরই আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে নিজের নাম পরিবর্তন করে ছদ্মনামে ৪০ দিনের চিল্লায় তাবলিগ জামায়াতে অংশ নেয়।

গত ২ মে রাজধানীর কুড়িল চৌরাস্তার জোয়ার সাহার এলাকায় ছুরিকাঘাতে এসএসসি পরীক্ষার্থী জাহিদকে ডেকে নেয় আশরাফুল ও তার কিশোর বন্ধুরা। সেখানে আরও উপস্থিত ছিল জাহিদের বন্ধু রিয়াদ। জাহিদ ও রিয়াদ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে প্রাণ হারাণ জাহিদ। জাহিদের বাবা আলমগীর হোসেন বাদি হয়ে ঘটনার দিন ভাটারা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর মামলার ছায়া তদন্ত শুরু করে ডিবি। জাহিদকে জিজ্ঞাসাবাদের পর জাহিদকে জাতীয় কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আবেদন করা হবে।

জাহিদ এবার বাড্ডার কালাচাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেয়। তাদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়। হত্যাকারীরাও কিশোর বলে দাবি করেছে পুলিশ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here