‘আমি গরিব মানুষ। ঢাকার রামপুরায় শ্রমিকের কাজ করে তিন ছেলেমেয়ের সংসার চালাই। কাজের জন্য বেশিরভাগ সময় আমাকে ঢাকায় থাকতে হয়। এই সুযোগে এই ছেলে (ধর্ষক) আমার স্ত্রীকে নানা ভাবে বিরক্ত করত। ওইদিন সে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। আমি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’

নিজের স্ত্রী ধর্ষণের পর জখম হওয়ায় ঠিক এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন কাঞ্চন মিয়া।

জানা যায়, নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় তার স্ত্রীকে ধর্ষণের পর ব্লেড দিয়ে ওই গৃহবধূর গোপনাঙ্গ কেটে ফেলে ধর্ষক নাজমুল। এ ঘটনায় মামলা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেন্দুয়া উপজেলার সুত্রাকান্দা গ্রামের মৌজ আলীর ছেলে বখাটে নাজমূল (২৪) দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের এক গৃহবধুকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত শনিবার সন্ধ্যায় ওই গৃহবধু (২৫) নিজের ঘরের পেছনে শৌচাগারে যাওয়ার সময় তাকে মুখে ধরে পাশের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে।

ধষর্ণের পর দিয়ে ওই নারীর গোপনাঙ্গে আঘাত করে পালিয়ে যায় ধর্ষক নাজমুল। ভুক্তভোগী চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন। মুমূর্ষ অবস্থায় কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইমারত হোসেন গাজী বলেন, ‘আমরা মামলা নিয়েছি। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। আসামিকে ধরার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (তদন্ত) মুহাম্মদ শাহজাহান মিয়া জানান, এটি একটি স্পর্শকাতর ঘটনা। পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে সঠিক ভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here