নানা অভিযোগ, অনিয়ম আর শঙ্কা কাটিয়ে শেষ হলো খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। কেন্দ্রে কেন্দ্রে এখন শুরু হয়েছে ভোটগণনা। মঙ্গলবার (১৫ মে) বিকেলে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়।

এর আগে সকাল ৮টা থেকে একযোগে নগরীর ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

এদিকে ভোট ঘিরে বড় কোনও সাংঘর্ষিক ঘটনা না ঘটলেও জালভোটের অভিযোগ এনে এদিন দুপুর ১টার দিকে ৩০নং ওয়ার্ডের রুপসা হাইস্কুল ও রুপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দুটির ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।

২৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইকবাল নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশে বিএনপির তাঁবু ভাঙচুর ও কেন্দ্রে হট্টগোল হওয়ায় একটি বুথ এবং ২২নং ওয়ার্ডের ফাতেমা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের একটি বুথে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার-সমর্থকদের মধ্যে টুকটাক বাক-বিতণ্ডার ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। তবে বড় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

উল্লেখ্য, এবারই প্রথম খুলনায় মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেয়র পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া নগরীর ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৪৮ জন এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবারের নির্বাচনে খুলনা সিটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ ও নারী ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন। ভোটকক্ষ ১ হাজার ১৭৮টি।

এ নির্বাচনে ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্র রয়েছে ২৫৪টি এবং ৩৫টি সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এবার ভোট কক্ষ রয়েছে ১ হাজার ৫৬১টি। আর অস্থায়ী ভোট কক্ষ ৫৫টি। প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার রয়েছে ৪ হাজার ৯৭২ জন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here