ভ্যাম্পায়ার, ড্রাকুলা— এদের নাম শুনলেই ভয়ে কেমন আত্মা খাঁচাছাড়া হয়ে যায়। কারণ, এরা মানুষের রক্ত পান করে।

একজন সুস্থ-সতেজ যুবক বা যুবতীর তাজা রক্তের খোঁজে, রাতের অন্ধকারে তারা বের হয়। এবং যার রক্ত পান করে, সেও ওই একই পথের পথিক হয়ে যায়। সত্যিকারের এমন ভ্যাম্পায়ার রয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। তবে ভ্যাম্পায়ার নিয়ে হলিউডে বেশ কিছু ভয়ের ছবি তৈরি হয়েছে এ যাবত।

কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান এক তথ্য উল্লেখ করেছে, যাতে প্রমাণিত হয়েছে যে অনেক মানুষই রয়েছে যারা রক্ত পান করতে ভালবাসে। এবং সেই রক্ত মানুষের না হলেও চলে। কোনও পশুর রক্ত পান করতেও তাদের অসুবিধা হয় না।

কাহিনির ড্রাকুলা রক্ত পান করে বেঁচে থাকার তাগিদে। কিন্তু, এই সব রক্তপায়ী মানুষের এমন ইচ্ছে একেবারেই শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ। হেলথলাইন ডট কম নামে এক ওয়েবসাইটের নিউজলেটারে বলা হয়েছে যে, বেঁচে থাকার জন্য যারা রক্ত খায়, তাদের ‘স্যানগুইনারিয়ান’ বলা হয়। আর রক্ত খাওয়ার ইচ্ছেকে বলা হয় রেইনফিল্ডস সিনড্রোম।

সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৩ সালে তুরস্কে এক ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল, যিনি বলেছিলেন, তার কাছে রক্ত পান করাটা শ্বাস নেওয়ার মতোই জরুরি। তিনি নিজের শরীরের বিভিন্ন অংশে রেজার চালিয়ে রক্ত সঞ্চয় করে তা পান করতেন।

ওই প্রতিবেদনে এক মহিলা সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তিনি নিজের মুড ঠিক রাখার জন্য প্রতি দিন এক লিটার করে শুকরের রক্ত খেতেন।

প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত সঠিক ভাবে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেননি গবেষকরা, কেন এই রক্তপিপাসা পায় মানুষের। তবে, স্যানগুইনারিয়ানদের মতে, এই তৃষ্ণা শরীরের তুলনায় মনেরই বেশি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here