একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসাইন জরুরি কাজে উত্তরা থেকে নিউমার্কেট যাচ্ছিলেন। উবার ডেকে তাতে চেপে বসলেন। কিন্তু দুপুর ঘনিয়ে আসায় মধ্যাহ্নভোজটা গাড়িতেই করার পরিকল্পনায় পথে উত্তরা বিরিয়ানি হাউজ থেকে চটজলদি এক প্যাকেট খাবার কিনে নেন। কিন্তু মাঝপথে গিয়ে প্যাকেট খুলতেই ঘটলো বিপত্তি। বিরিয়ানির ভেতর আস্ত এক টিকটিকি।

রাজ্যের কাজ ফেলে আলমগীর হোসাইন গাড়ি ঘুরিয়ে সেই খাবার দোকানে ফিরে আসেন। ম্যানেজারের কাছে গিয়ে খাবারের প্যাকেট দেখান। ওই ম্যানেজার স্বাভাবিক ভঙ্গিতে স্যরি বলে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন। যেন বিষয়টি তাদের কাছে তেমন কিছুই নয়। কিন্তু আলমগীর ছেড়ে দেয়ার পাত্র নন। হাঁড়ির সব খাবার নিয়ে রাস্তায় ফেলে দেন।

এ নিয়ে অবশ্য খাবার দোকানের লোকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডাও হয়েছে। কিন্তু আলমগীর হোসাইন খাদ্য অধিদপ্তরের কাছে অভিযোগ জানানোর কথা বলতেই তারা ঠাণ্ডা হয়ে যায়।

হোটেল ম্যানেজার

এ বিষয়ে আলমগীর হোসাইন বিডি ডেইলিকে বলেন, ‘গাড়িতে বসে প্যাকেট খুলে খাবার খাওয়া শুরু করি। হঠাৎ দেখি, খাবারে টিকটিকির মাথা। সেটা ধরে টান দিতেই পুরো টিকটিকি বেরিয়ে আসে। পরে কাজ ফেলেই গাড়ি ঘুরিয়ে উত্তরা বিরিয়ানি হাউজে আসি। ম্যানেজারকে বিষয়টি বলতেই তিনি কেবল স্যরি বলেন। কিন্তু আমি পরে বাকি খাবার ফেলে দেই। কারণ জানি ওই খাবার তারা আবার বিক্রি করবে। এতে অনেকেই বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here