বিয়েটা ধুমধাম করেই হয়েছিল। বউভাতের দিন সন্ধ্যায়ও হাসিখুশিই ছিলেন নববধূ। এমনটা যে ঘটবে, তা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি কেউ। শেষে বিয়ের রাতেই কিনা পালিয়ে গেলেন নতুন বউ! মাঝরাতে যখন বিষয়টি টের পেলেন স্বামী, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। ওই তরুণীর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।

থানায় স্ত্রীর নামে নিখোঁজ ডায়েরি করেছেন তিনি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, তার অমতেই বিয়ে দিয়েছিলেন পরিবারের লোকেরা। অন্য কারও সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ওই তরুণীর। এদিকে, বিয়ের রাতে বউ পালানোর ঘটনা জানাজানি হতেই পাত্রের বাড়িতে ভিড় জমান পাড়া-প্রতিবেশীরা। বেজায় অস্বস্তিতে পাত্রের পরিবার।

পাত্রের নাম ছুটু প্রামাণিক। বাড়ি পুরুলিয়া মফঃস্বল থানার গোপলাডি গ্রামে। গত ৮ মে বিয়ে হয় ছুটুর। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, নববধূ অত্যন্ত মিশুকে। অল্প সময়েই শ্বশুরবাড়ির লোকেদের আপন করে নিয়েছিলেন তিনি। বাসর রাতে রীতিমতো ঠাট্টা-ইয়ার্কিও করেন।

সাধারণত বিয়ের একদিন পরেই পাত্রের বাড়িতে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানটি বউভাত নামে পরিচিত। তবে এক্ষেত্রে অবশ্য তা হয়নি। বিয়ের পরের দিন অর্থাৎ ৯ তারিখ ছিল বউভাত। পাত্রের পরিবারের লোকেদের দাবি, অনুষ্ঠানের দিন সন্ধ্যায় সকলের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলছিলেন নববধূ। বউভাতের দিন রাতেই হয় ফুলশয্যা। নবদম্পতির প্রথম একসঙ্গে রাত্রিযাপন। আদরের দেবরকে নববধূর ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে চলে যান পাত্রের বউদি।

পাত্রের বাড়ির লোকেদের দাবি, মাঝরাতে ছুটু প্রামাণিক টের পান, বিছানায় নেই স্ত্রী! ঘটনাটি জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজি করেও নতুন বউয়ের সন্ধান পাননি ছুটু প্রামাণিকের পরিবারে লোকেরা। পুরুলিয়া মফঃস্বল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছেন সদ্য বিবাহিত ছুটু প্রামাণিক।

দাম্পত্যের প্রথম রাতে এমন ঘটনায় ভেঙে পড়েছেন তিনি। অস্বস্তি আরও বাড়িয়েছেন পাড়া-প্রতিবেশীরা। মঙ্গলবার সকালে ‘বউ পালানো’ বরকে দেখতে বাড়িতে ভিড় জমান তাঁরা। এদিকে আবার ফের ছেলে বিয়ের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ছুটু প্রামাণিকে পরিবারের লোকেরা।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here