বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে মহাকাশে নিজের নাম লেখালো বাংলাদেশ৷ মার্কিন বেসরকারি মহাকাশ অনুসন্ধান ও প্রযুক্তি কোম্পানি ‘স্পেসএক্স’ স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠিয়েছে৷ এটি পাঠাতে পুর্নব্যবহারযোগ্য এক রকেট ব্যবহার করা হয়৷ তবে এটি ভারতের জন্য একটি বড় আক্ষেপ।

এ বিষয়ে দেশটির অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন বলছে, বাংলাদেশের এই স্যাটেলাইটটি কক্ষপথে পাঠানোর কাজ সহজেই পেতে পারত ভারত। কিন্তু সময়মত নির্ভরযোগ্য মহাকাশযান বা রকেট তৈরি করতে না পারায় সেটি পেয়েছে বিশ্ববিখ্যাত স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি টেসলার প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কের মহাকাশ যান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এক্সপ্লোরেশন টেকনোলজিস কর্প।

১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত রিসার্চ ফাউন্ডেশন তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, বাংলাদেশ যোগাযোগের জন্য আর অন্যের ওপর নির্ভরশীল থাকবে না। উল্টো প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে স্যাটেলাইট সেবা বিক্রি করে দেশের অর্থনীতি আরও চাঙ্গা করবে। অথচ ভারত আজও অন্য দেশের কাছ থেকে যোগাযোগ স্যাটেলাইট ভাড়া নিয়ে কাজ চালাচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করার জন্য বাংলাদেশ চেয়েছিল অন্তত ৪ টন ওজন বহন করতে পারবে এমন রকেট। ২০১৫ সালে যখন স্যাটেলাইটটি তৈরির জন্য ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস এলেনিয়া স্পেসের সঙ্গে চুক্তি হয়, তখন পর্যন্ত ভারত দক্ষিণ এশিয়া স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেনি। ফলে তারা উৎক্ষেপণের কাজটি পাওয়ার জন্যও প্রয়োজনীয় প্রমাণ দেখাতে ব্যর্থ হয়।

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট মহাকাশে প্রতি সেকেন্ডে গড়ে সাড়ে তিন কিলোমিটার গতিতে ঘুরছে। তিন থেকে চার দিনের মধ্যে সেটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত বুধবার বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উত্তর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিলো। এটি নাইজেরিয়া-কেনিয়া-ভারত মহাসাগর-পাপুয়া নিউগিনির ওপর দিয়ে ফিলিপাইন হয়ে কক্ষপথে আসবে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here