বাংলাদেশ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিষদাগার চলছেই। নানা সময়ে বাংলাদেশিদের নিয়ে বিভিন্ন আপত্তিকর কথা বলে সমালোচিত হয়েছেন তিনি। তিস্তা চুক্তিতে তাকেই প্রধান বাধা বলে মনে করে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি থেকে শুরু করে বাংলাদেশও। সর্বশেষ পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তার দল তৃণমূলের সন্ত্রাসীদের সহিংসতার দায় মমতা চাপিয়েছেন বাংলাদেশিদের কাঁধে।

গতকাল ডয়চে ভেলেতে প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাশালী দল তৃণমূল হলেও এখন স্পস্টভাবেই কংগ্রেসকে পেছনে ফেলে বিজেপি রাজ্যের দ্বিতীয় রাজনৈতিক শক্তি। মমতা বন্দোপাধ্যায় অভিযোগকরেছেন, রাজ্যের সীমান্ত জেলাগুলিতে বাইরে থেকে লোক এনে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট করিয়েছে বিজেপি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্য সচিবালয় নবান্নে মমতা অভিযোগ করেন, বিশেষত রাজ্যের সীমান্ত জেলাগুলিতে বাংলাদেশ থেকে লোক এনে ভোট করিয়েছে বিজেপি। ভোটে তারা সফল না হতে পারলে বাগড়া দিয়েছে। আর এ কাজে তাদের সাহায্য করেছে বিএসএফ।

ভোটের দিন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক অভিযোগ করেছিলেন, বনগাঁ সীমান্তের কিছু এলাকায় বাংলাদেশ থেকে দুষ্কৃতিদের এনে অশান্তি বাধিয়েছে বিজেপি।

মমতার বক্তব্য, রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়-দায়িত্ব রাজ্য প্রশাসনের। সেখানে শৃঙ্খলা রক্ষার অজুহাত দিয়ে, রাজ্য সরকারের অনুমতি না নিয়েই কেন সীমান্তরক্ষী বাহিনী তৎপর হলো। বলা বাহুল্য, মমতার অভিযোগের আঙুল দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে।

এদিকে কেন্দ্র সরকারও পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে আদৌ খুশি নয়। দু’ দফায় তারা রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে। পঞ্চয়েত নির্বাচনে ব্যাপক সহিংসতা ও প্রাণহানিতে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রীতিমতো ক্ষুব্ধ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here