মেয়েকে বিয়ে করার চার মাস পর শাশুড়িকে বিয়ে করেন নূর ইসলাম। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি। তার শ্বশুর মালদ্বীপ প্রবাসী। মা ও মেয়েকে বিয়ে করায় বিষয়টি এখন জেলাজুড়ে বেশ আলোচিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। নূর ইসলাম ফরিদপুর সদর উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামের মোহাম্মদ দফাদারের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১৭ মে) রাতে নূর ইসলাম ঝর্না বেগমকে নিয়ে চণ্ডিপুর গ্রামে এলে এলাকার মানুষ বিষয়টি নিয়ে নানা কথা বলতে থাকে। গ্রামবাসী তাদের আটক করে উপযুক্ত বিচারের জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্যের জিম্মায় দেন।

অনেকেই মনে করছেন, বিদেশে থেকে পাঠানো শ্বশুরের টাকা ও বাড়ির সম্পত্তির লোভে নূর ইসলাম তার শাশুড়িকে বিয়ে করেছেন।

এলাকাবাসী জানায়, সাড়ে তিন বছর আগে চণ্ডিপুর গ্রামের জলিল মোল্যা মালদ্বীপ যান। এরপর তিনি সব টাকা তার স্ত্রীর কাছে পাঠাতেন। এক বছর আগে চণ্ডিপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছের গ্রামের জলিল মোল্যার বাড়িতে নূর ইসলাম রাজমিস্ত্রির কাজ করতে যান। কাজের ফাঁকে ওই বাড়ির মেয়ে জেনির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর তারা বিয়ে করেন। বিয়ের পরপরই শাশুড়ি ঝর্না বেগমের সঙ্গে নূর ইসলাম ‌‌‌‌‌‌‌’পরকীয়া’য় জড়িয়ে পড়েন। এরপর শাশুড়ির সম্মতিতেই পালিয়ে গিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকেও বিয়ে করেন তিনি। ঘটনাটি জানাজানি হলে মা-মেয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

শাশুড়ি ঝর্না বেগম বলেন, ‌’আমার মেয়ের সঙ্গে এক বছর আগে নূর ইসলামের বিয়ে হয়েছে। এরপর চার মাস আগে নূর ইসলাম আদালতে নিয়ে আমাকে বিয়ে করেছে। আমার মেয়ের কোনো সন্তানাদি নেই। কিন্তু বর্তমানে আমি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here