জীবনের শেষ প্রান্তে এসে নিজের কবরের জন্য এক খণ্ড জায়গা চেয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা মো. আবু বকর সিদ্দিক। কবরের জায়গা না দিলে মুক্তিযোদ্ধা সনদ ফিরিয়ে নেয়ারও আহবান জানিয়েছেন তিনি।

তার দাবি মৃত্যুর পর তাকে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের পাশে যেন দাফন করা হয়।

রাষ্ট্রপতির কাছে এক লিখিত আবেদনে তিনি জানান, বিশ্ব ইজতেমার পাশে মুসলিম জাহানের মুসলমানদের খেদমতে তিনি ৪০টি বছর অতিবাহিত করেছেন। তার নিজের কোন ঠিকানা নাই। বিশ্ব ইজতেমার পশ্চিম পাশে টঙ্গী-আশুলিয়া সড়ক ঘেঁষে মসজিদুল আমান ও বিশ্ব নবীর মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ওই স্থান থেকে মুসলিম বিশ্বের ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের সম্মান রক্ষার্থে বিশ্ব ইজতেমার উন্নয়নে এক হাজার কোটি টাকার একটি আন্তর্জাতিক মাস্টার প্ল্যান করেন তিনি।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য তিনি বিগত সরকারগুলোর সাথে বহুবার যোগাযোগ করেন। বর্তমান সরকারের ধর্মমন্ত্রীর কাছেও মাস্টার প্ল্যানসহ আবেদন করেছেন বলে জানান। বিগত সরকারগুলোর সুদৃষ্টি না থাকাতে মুসলিম জাহানের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিলন মেলা ময়দানের বহু সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এখন আমার অন্তিমকাল, শেষ ইচ্ছা হয়তো আর পূরণ হবে না।’ তবে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আল্লাহর ঘরে দাঁড়িয়ে ৪০টি বছর অতিবাহিত করেছি। আল্লাহর সেই ঘরের পাশে একখণ্ড কবরের জায়গা দিয়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করার অনুমতি দিন। নতুবা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধার সনদ ফিরিয়ে নিন।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here