নিষেধাজ্ঞার কারণে ঘরোয়া ক্রিকেটে দেখা মেলে না। জাতীয় দলে খেলেই যোগ্যতা প্রমাণ করতে হয়। সাব্বিরের জন্য কতটা চ্যালেঞ্জের বিষয় এটি।

জাতীয় দলের হার্ড হিটার ব্যাটসম্যানের মতে, ‘প্রতিটি দিনই আমার জন্য চ্যালেঞ্জের। প্রত্যেকটা সুযোগ যখন আসে মনে হয় এটা আমার নতুন চ্যালেঞ্জ। এটা গ্রহণ করাই আমার কাজ। সব সময় নতুন দিন হিসেবে কাজ করি। নতুন দিন হিসাবে নিজেকে প্রস্তুত করার চেষ্টা করি।’

জুনে আফগানদের বিরুদ্ধে সিরিজে নিজেদের এগিয়ে রাখছেন সাব্বির, ‘অবশ্যই অভিজ্ঞতায় আমরা এগিয়ে থাকব। আফগানিস্তানের হয়তবা তিন-চারজন বিশ্বমানের খেলোয়াড় আছে। আমাদের অনেক ভালো অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে যারা আইপিএল খেলে। আশা করছি অভিজ্ঞতা দিয়ে ম্যাচ জিততে পারব।’

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। তিন ম্যাচে নিজের লক্ষ্য প্রসঙ্গে সাব্বির বলেন, ‘প্রত্যাশা হচ্ছে নিজের লক্ষ্যটা যেন ঠিক রাখতে পারি। গত দুই মাসে যে পরিশ্রম করেছি তা যেন মাঠে দেখাতে পারি এবং ইতিবাচক থাকতে পারি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আফগানিস্তান সিরিজে নিজেকে দেখতে চাই ভালো স্কোর করা ব্যাটসম্যান হিসেবে। গত তিন মাস যে কাজ করেছি টেকনিকের ওটা প্রয়োগ করতে পারলেই খুশি।’

আফগানিস্তানের এই মুহূর্তে সেরা দুই বোলার রশি খান ও মুজিব। দুই স্পিনারের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি সম্পর্কে সাব্বির বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ১২০ বলের খেলা। প্রথম কয়েক ওভারে একটা পরিস্থিতি যাবে। শেষ ছয় ওভার আরেকটি আবহ। মাঝে যাবে কিছু ওভার। আমরা যারা মাঝের ওভার খেলব, বল-টু-বল যদি রান করতে পারি। অন্তত ৪২ বলে যদি ৬০-৭০ করতে পারি তাহলে হয়ত আমাদের লক্ষ্যটা ভালো হবে। আর যদি মনে করি এক ওভারে একটা চার আর একটা ছয় মারতে হবে, বড় স্কোরের জন্য তাহলে টার্গেট কমে যাবে। উইকেট থ্রো না করে বলের মেধা হিসাব করে খেললে বড় স্কোর করতে পারব।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here