বনানীর নামী রেস্টুরেন্ট আত্তিন অ্যারাবিয়ান। ভেতরে ঢুকতেই এগিয়ে এলেন আনিসুর রহমান নামের এক কর্মী। তার কাছে সেহরির মেন্যু চাইলে বলেন, ‘স্যার মেন্যু নেই, শেষ হয়ে গেছে।’

তবে তিনি বলেন, ‘সাধারণত আমাদের এখানে যেসব খাবার পাওয়া যায়, সেহরির সময় সেগুলোই মিলবে। তবে ১২০০ টাকার একটি মেন্যু আছে, তাতে শিশার সঙ্গে স্যান্ডউইচ ও সফটড্রিংকস পাওয়া যাবে।’

রমজানে সেহরির সময় শিশার মেন্যু কেন জানতে চাইলে আনিসুর বলেন, ‘আসলে সেহরির জন্য এই মেন্যু না। এখানে শিশা সব সময়ই পাওয়া যায়। যারা সেহরির সময় শিশা সেবনের জন্য আসবেন, এই মেন্যুটা তাদের জন্যই। এটা আমাদের বিশেষ মেন্যু।’

সেহরির আইটেম হিসেবে শিশা বিক্রির এই অভিযোগ সম্পর্কে জানতে রেস্টুরেন্টে গিয়ে দেখা যায়, ১৮ থেকে ৩০ বছরের বেশকিছু তরুণ-তরুণী একসঙ্গেই বসে বসে শিশা টানছেন। এরই মধ্য বেশ কয়েকজন দেশি-বিদেশি তরুণ-তরুণী টেবিলে সিগারেটের প্যাকেট ও জুস রেখে বসে গেছেন শিশার আসরে। তবে সাংবাদিক যাওয়ার পর পরেই সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here