রাজধানীর ধানমণ্ডির অভিজাত রেস্টুরেন্টগুলোতে দুপুরের আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় ইফতারি তৈরির কাজ। বিকাল গড়ালেই বিক্রি শুরু। এখানকার রেস্টুরেন্টে বসে ইফতার করার যেমন ভিড় থাকে, তেমনি পার্সেলের চাপ। তবে বিক্রেতারা পার্সেলকেই বেশি অগ্রাধিকার দেন। কারণ জায়গা সীমিত বলে একসঙ্গে বেশি রোজাদার বসতে পারেন না। ইফতারের সময় খুব কম হওয়ায় দ্বিতীয়বারে বসারও সুযোগ নেই। ফলে এতে লাভও কম।

এই এলাকায় অভিজাত রেস্টুরেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে স্টার কাবাব, কাবাব ধাবা, ঢাকা কাবাব, কড়াই গোস্ত, লায়লাতি, মালয়েশিয়ান চিকেন, আমেরিকান বার্গার, স্টার সুইস, নাঢ়াই, মেজবানী গোস্ত, নবাবী ভোজ, ফখরুদ্দিন কনভেনশন সেন্টার ইত্যাদি। এগুলোতে সব ধরনের ইফতারিই পাওয়া যায়।

স্টার কাবাবে ইফতারির মধ্যে শাহী হালিম, বোম্বে জিলাপি, মাটন লেগ রোস্ট, মাটন গ্রিল চাপ, চিকেন রোস্ট, চিকেন টিক্কা, ব্রেইন মাশালা, লিভার ফ্রাই, স্ন্যাকস, রকমারি কাবাব, নার্গিস কাবাব, চিকেন কেরাম, চিকেন স্টিক, চিকেন রোল, ভেজিটেবল রোল, ছোলা, পিঁয়াজু, ডাবলি ভাজা, লাবাং, রোবহানি পাওয়া যায়। এগুলোর দাম নির্ভর করে পরিমাণভেদে। চিকেন শিক কাবাব ১২০ টাকা, চিকেন টিক্কা ৯০ টাকা, গরুর শিক কাবাব ১১০ টাকা, চিকেন রোল ২০ টাকা, ভেজিটেবল রোল ১৫ টাকা পিস।

কড়াই গোস্তেও মাংস দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের কাবাব পাওয়া যায়। এ ছাড়া মিলছে বিভিন্ন ঝালফ্রাই। এগুলোর মধ্যে চিকেন ঝালফ্রাই হাফ প্লেট ১৭০ টাকা, গরুর ঝালফ্রাই হাফ প্লেট ১৯০ টাকা, শিক কাকাব প্রতি পিস ১৩০ টাকা, খাসির চাপ প্রতি পিস ১৬০ টাকা।

কাবাব ধাবার আয়োজন কিছুটা ভিন্ন। এখানে সব ধরনের মাংসের পাশাপাশি মাছের কাবাবও পাওয়া যায়। এর মধ্যে রূপচাঁদার কাবাব প্রতি পিস ৩০০ টাকা, কোরাল মাছের কাবাব প্রতি পিস ২৫০ টাকা। স্বাদে ভিন্নতা থাকায় এগুলো বেশ বিক্রিও হচ্ছে।

ধানমণ্ডিতে ফখরুদ্দিন কনভেনশন সেন্টারের দুটি শাখা। একটি জিগাতলায় অপরটি সিটি কলেজের কাছে। দুটিতেই ইফতারির সব ধরনের উপকরণ বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়াও পুরো ধানমণ্ডিজুড়ে ফুটপাতে বসেছে নানা স্বারে ইফতারির দোকান। এগুলোতেও ভিড়ের কমতি নেই। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষই এগুলোর প্রধান ক্রেতা।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here