পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে বংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলি এক ইফতার পার্টির আযোজন করেছেন। কলকাতার পাঁচ তারকা তাজ বেঙ্গল হোটেলে আয়োজিত ওই ইফতার পার্টিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

তবে এই পার্টিতে মমতা থাকবেন কি না তা এখনো নিশ্চিত হয়নি। অবশ্য বাংলাদেশ দূতাবাস সুত্র বলছে, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের না আসার কারণ নেই। কারণ কূটনৈতিক সৌজন্যতা রক্ষার জন্য হলেও তিনি সম্ভবত আসবেন। আর এই পার্টিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে আলাদা করে আলোচনা বা বৈঠকের কোনও সম্ভাবনা নেই তার।

আগামী ২৫ মে কবীগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজরিত শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় ওই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও যোগ দেবেন। ওইদিন কলকাতায় ফিরে এই ইফতারে শেখ হাসিনা যোগ দেবেন। ইফতারের পর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও তিনি বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

শান্তি নিকেতনের অনুষ্ঠানে মোদি থাকলেও মমতা বন্দোপাধ্যায় হাজির থাকতে পারবেন না বলে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। তবে গত শুক্রবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে তাকে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।

বিশ্বভারতীর উপাচার্য সবুজকলি সেন এদিন জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর আসার ব্যাপারে নিশ্চিত কোনও তথ্য বা চিঠি তিনি এখনও পান নি। কূটনৈতিক মহল আশাবাদী যে, মমতা শেষ পর্যন্ত শান্তিনিকেতনে এবং নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে হাজির থাকবেন। দুই জায়গাতেই শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকবেন।

এদিন পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর যে সফর সূচি জানা গেছে, তাতে শান্তিনিকেতন থেকে ফিরে ২৫ মে বিকালে শেখ হাসিনা যাবেন কলকাতার এলগিন রোডের ঐতিহাসিক নেতাজি ভবনে। পরদিন আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাম্মানিক ডি. লিট উপাধি গ্রহণ করার পর কলকাতায় ফিরে জোড়াসাঁকোয় ঠাকুরবাড়ি পরিদর্শনে যাবেন। তিনি ঘুরে দেখবেন রবীন্দ্র জাদুঘরটি। এই জাদুঘরে বাংলাদেশ গ্যালারিতে রয়েছে রবীন্দ্রনাথের বাংলাদেশে থাকার নানা ছবি। এছাড়া রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া পদ্মার বোটের একটি রেপ্লিকাও।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here