বাজারের পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষা করে এক মাসের মধ্যে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

খাদ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধি এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তদন্ত কমিটি করে এ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। জনস্বার্থে আনা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেয়।

একই সঙ্গে আদালত আইসিডিডিআরবির যে রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে তা আদালতে এক মাসের মধ্যে দাখিল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পাস্তুরিত দুধের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। স্বাস্থ্য সচিব, খাদ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি), আইসিডিডিআরবি এবং পুলিশ মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এই মামলায় পরবতী শুনানির জন্য আগামী ২৭ জুন তারিধ নির্ধারণ করে দিয়েছেন আদালত।

গত ১৭ মে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত পাস্তুরিত দুধের ৭৫ শতাংশই নিরাপদ নয়, আইসিডিডিআরবির প্রতিবেদন সংযুক্ত করে এ রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী তানভীর আহমেদ এ রিট দায়ের করেন। আদালতে তিনি নিজেই শুনানি করেন।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) বিজ্ঞানীরা বলেছেন, বাজারে পাওয়া যায় এমন পাস্তুরিত দুধের ৭৫ শতাংশ অনিরাপদ। বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন কোম্পানির দুধের নমুনা পরীক্ষা করে তাতে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া পেয়েছেন। তারা পরামর্শ দিয়েছেন, মানুষ যেন দুধ কেনার পর ফুটিয়ে পান করেন। আইসিডিডিআরবির বিজ্ঞানীরা দেশের ৪৩৮টি কাঁচা দুধের নমুনা এবং বাণিজ্যিকভাবে প্রক্রিয়াজাত দুধের ৯৫টি নমুনা সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here