নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিনের মেয়ে নাজিরা আক্তার মিতু তার স্বামী ইউসুফ মিয়া ও তাদের দুই সন্তান নিয়ে ভূঁইগড় রূপায়ণ টাউনে বসবাস করেন। এর মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে আবুল হোসেন সজীবের সঙ্গে পূর্ব পরিচয়ে মিতুর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। সজীবও এক সন্তানের বাবা।

বিষয়টি জানতে পেরে সজীবের স্ত্রী সায়মা আক্তার জানতে পেরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশসুপার বরাবর গত ২৩ আগস্ট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে উভয়পক্ষকে ডেকে শাসিয়ে দেয় পুলিশ। এরপর গত ১৮ এপ্রিল দুই সন্তান ও স্বামীকে রেখে রূপায়ণ টাউন থেকে নাজিরা আক্তার মিতু পালিয়ে যান।

২৯ এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন মিতুর স্বামী ইউসুফ মিয়া। তবে এর আগের দিন সজীবের ভাই সালাউদ্দিনও ২৮ এপ্রিল একই থানায় আরেকটি জিডি করেন। এতে দাবি করা হয়, তার ভাই সজীবকে অপহরণ করা হয়েছে। পরে ইউসুফ মিয়া একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় পলিশ মাঠে নেমে প্রায় এক মাস পর রোববার দুপুরে ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকার একই জায়গা থেকে সজীব ও মিতুকে আটক করে। তবে মিতুর দাবি, সজীব তাকে অপহরণ করেনি। সেচ্ছায়ই তিনি প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছেন। তারা দুজন বিয়েও করেছেন বলে জানান। মিতু বলেন, আমার আগের স্বামী ইউসুফকে পূর্বেই তালাক দিয়েছি।

মিতু আরও বলেন, সজীব ও আমার সম্পর্ক প্রায় তিন বছর ধরে। এ ঘটনা সবাই জানতো। আমার আগের স্বামী একটা মানসিক রোগী।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্তা কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. মঞ্জুর কাদের বলেন, মিতুর স্বামীর দায়ের করা অপহরণ মামলায় মিতুকে উদ্ধার ও তার প্রেমিক সজীবকে আটক করা হয়েছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here