গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের প্রচার কৌশল নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাহাঙ্গীরের প্রচার কৌশল ঠিক নেই, তিনি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে মনে করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। সোমবার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন। বৈঠকে উপস্থিত সরকারের এক প্রভাবশালী মন্ত্রী এ তথ্য জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, খুলনার মতো গাজীপুরেও জয় পেতে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। কাজ করতে হবে ঐক্যবদ্ধভাবে। সব বিরোধ ভুলে গাজীপুরে জয় নিশ্চিত করতে হবে। এ নিয়ে আমি কোনো অজুহাত শুনতে চাই না।

বৈঠক শেষে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা চলে যায় গাজীপুরে। দলের স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে প্রায় ডজন খানেক কেন্দ্রীয় নেতা কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঘরোয়া বৈঠক করেন। সেখানে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রতীক নৌকার বিজয়কে সুনিশ্চিত করতে ও গাজীপুরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন সাংগঠনিক কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।

টঙ্গীর নোয়াগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানীয় এমপি জাহিদ আহসান রাসেলের বাসভবনে ঘরোয়া ওই সমন্বয় সভা হয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, কর্নেল ফারুক খান এমপি, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মো. মুহিবুল হাসান নওফেল, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, গাজীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আখতারুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লা খান এবং সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী (নৌকা প্রতীক) জাহাঙ্গীর আলম। তারা খুলনা সিটি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিজয়ের পর গাজীপুরেও বিজয় সুনিশ্চিত করতে প্রতিজ্ঞবদ্ধ হন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here