বিশ্বকাপে চলাকালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করছে রাশিয়া। এর অংশ হিসেবে ড্রোন হামলা প্রতিরোধে সিরিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত জ্যামিং ডিভাইস ব্যবহার করবে তারা।

আগামী ১৪ জুন বিশ্বকাপের পর্দা উঠবে। ১৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে ফুটবলের এই মহাযজ্ঞ। তবে আয়োজকদের সবচেয়ে বড় মাথা ব্যথা সন্ত্রাসী হামলার হুমকি।

২০১০ সালে বিশ্বকাপে আয়োজনের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই রাশিয়ায় বেশ কয়েকবার আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়। ধারণা করা হয়, সিরিয়ার ইসলামিক স্টেট (আইএস) নামধারী জঙ্গিরে সঙ্গে যোগসাজস থাকা উত্তর ককেসাস অঞ্চলের জঙ্গিরা এই হামলা চালায়।

চলতি বছর সিরিয়াতে অবস্থিত রাশিয়ান মিলিটারি বেইসে ড্রোন হামলা চালানো হয়। তাতে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিশ্বকাপ চলাকালে স্টেডিয়ামে ড্রোনের মাধ্যমে বোমা হামলা চালানোর সম্ভাবনা একেবারে হালকাভাবে নিচ্ছে না রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

নিরাপত্তা অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে আগামী কয়েক মাসের জন্য রাশিয়া বেশ কয়েকটি নো-ফ্লাইট যোন নির্ধারণ করেছে এবং বিমান চলাচলে আরো কয়েকটি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর আওতায় স্টেডিয়াম, গতিক শহর, অনুশীলন মাঠ এবং অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য থাকার হোটেলও রয়েছে। পরিবহন মন্ত্রণালয় ৪১টি স্থানে সব ধরনের বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে। ১১টি গতিক শহরের ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাজধানী মস্কোতে স্থায়ীভাবে ড্রোন চালানো নিষিদ্ধ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here