নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরও একটি দুর্ঘটনা। তবে পাইলট যান্ত্রিক ত্রুটি আগেই ধরতে পারায় রক্ষা পেলেন ১৪১ বাংলাদেশি যাত্রী।

সোমবার রাতে মদিনা থেকে ঢাকায় আসার পথে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট (এ৩৩০-২০০) যান্ত্রিক ক্রটির কারণে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। বিমানটিতে মোট ১৫১ আরোহী ছিলেন।

বিমানে থাকা ফেনী জেলার বাকি বিল্লাহ মাছুম জানান, ওমরা পালন করতে তিনি সৌদি আরব গিয়েছিলেন। ছিলেন একটি কাফেলার প্রধান। ১৪১ যাত্রীর সবাই বাংলাদেশি এবং তারা হজ শেষে দেশে ফিরছিলেন।

এদিকে সৌদি এয়ারলাইন্স এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মদিনা থেকে ঢাকাগামী সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফাইট জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। এ সময় বিমানটি সামনের চাকায় আগুন ধরে যায়। এতে বিমানটির সামান্য ক্ষতি হলেও যাত্রীরা নিরাপদে আছেন।

এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র আব্দুর রহমান আল-তাইয়িব বলেন, বিমানটি সোমবার মদিনা থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। পথিমধ্যে স্থানীয় সময় সোমবার রাত ৮টার দিকে বিমানটির ‘হাইড্রোলিক সিস্টেমে’ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেজন্য বিমানটির গন্তব্যস্থল পরিবর্তন করে জেদ্দা বিমানবন্দরে জরুরি ভিত্তিতে অবতরণ করানো হয়। বিমানের পাইলট বেশ কয়েকবার যান্ত্রিক ত্রুটিটি সারানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। অবশেষে এয়ারবাস এ৩৩০-২০০ মডেলের বিমানটি নোজ গিয়ার প্রত্যাহার করে জরুরি অবতরণ করে।

তিনি জানান, অবতরণের পর বিমানের যাত্রীদের জরুরিভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়। বিমানটিতে ১৫১ আরোহী ছিল, যার মধ্যে ১৪১ যাত্রী ও ১০ জন ক্রু। এ ঘটনায় ৭০ আরোহীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আর গুরুতর আহত চারজনকে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here