ইচ্ছা ছিল ভবিষ্যতে কূটনীতিক বা প্রশাসনিক কর্মকর্তা হওয়ার। তাই স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে দেশ ছেড়ে স্বপ্নের দুনিয়ায় পাড়ি দেয় ১৭ বছরের কিশোরী সেবিকা শেখ। সেখানেই স্বপ্নভঙ্গ। টেক্সাসের সান্টা ফে হাইস্কুলে বন্দুকবাজের হামলায় মৃত্যুমিছিলে পাকিস্তানের এই কিশোরীও।

যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ভালোই সময় কাটছিল সেবিকার। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করার জন্য ৯ জুন দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু মার্কিন সংস্কৃতির স্বাদ নিতে গিয়ে নিজেই বলি হল সে দেশের নিয়মিত বন্দুক হামলায়। দেশে ঠিকই ফিরছে সেবিকা, তবে কফিনবন্দি হয়ে।

সেবিকা মনে করত, পাকিস্তানে প্রচুর প্রতিভা রয়েছে, কিন্তু সামগ্রিক ভাবে এ দেশ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে সর্বত্র। ওই ধারণাকে বদলে দিতেই বদ্ধপরিকর ছিল সে। মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব মাইক পম্পেয়ো শনিবার নিহতদের স্মরণে এক শোকসভায় বলেন, ‘সেবিকা চেয়েছিল আমেরিকা ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে।’

এই কিশোরীর মতো নিহতদের তালিকায় রয়েছে সান্টা ফে হাইস্কুলের শিক্ষিকা সিন্থিয়া টিসডেলও। পরিবারের চিকিৎসার খরচ চালাতে একসঙ্গে দুটি চাকরি করতেন তিনি। তবে নিছক পেশা নয়। শিক্ষকতা ছিল তার কাছে ভালোবাসারও। সেই সিন্থিয়াকেও হার মানতে হল বন্দুকের গুলিতে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here