আনোয়ার শাহাদাৎ ওরফে শিশির চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকে। ‘ম্যাস্ট বুকস অ্যান্ড স্টেশনারি’ নামের একটি লাইব্রেরি পরিচালনা করে। এই যুবক ৩৫ বছর বয়সেই বিয়ে করেছে তিন তিনটি। কিন্তু তাতেও স্বাদ মিটেনি। নিজের কিশোর মেয়েকেও ভোগ করেছে বছরের পর বছর।

স্থানীয় সূত্র জানা যায়, লম্পট শিশির নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার মাইজদীর রাজগঞ্জ এলাকার মৃত এনামুল হক সেলিমের ছেলে। সে প্রথমে নরসিংদীর এক নারীকে বিয়ে করে। তাদের ঘরে রয়েছে তিনটি মেয়ে। কয়েক বছর আগে বড় বউকে তাড়িয়ে দিয়ে দিনাজপুরের রুমা আকতারকে বিয়ে করে সে। কিন্তু বাবার সঙ্গেই থাকতো প্রথম ঘরের বড় মেয়ে।

বছর না ঘুরতেই শিশির তৃতীয় স্ত্রী হিসেবে মাগুরা থেকে এক নারীকে বিয়ে করে নিয়ে আসে। এর মধ্যে প্রায় দুই বছর ধরে নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে নিজ মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আসছিল। মঙ্গলবার শিশিরের তৃতীয় স্ত্রী ও ধর্ষিতা মেয়ে এ ঘটনা এলাকাবাসীকে জানায়। পরে এলাকাবাসী তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।

মেয়েটি চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান এলাকায় রাইজিং সান কেজি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার সকালে নিজ বাবা শিশিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে রাঙ্গুনিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছে সে।

রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ মো. আহসানুল কাদের ভুঁইয়া বলেন, ‘এমন অমানবিকতা আগে কখনো দেখিনি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই লম্পট ঘটনার কথা স্বীকার করেছে। বুধবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষাও করানো হয়েছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here