বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান এবং রশিদ খানের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে কলকাতাকে হারিয়ে ফাইনালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। সাকিবের প্রথম দুই ওভারেই উইকেট পড়েছে- প্রথম ওভারে রান আউট, দ্বিতীয় ওভারে বোল্ড। নারিন-লিন ঝড়ে যখন ম্যাচ একেবারে কলকাতার দিকেই হেলে গিয়েছিল ঠিক ওই সময় বল করতে এসে হায়দরাবাদের ত্রাতা হিসেবে উপস্থিত হন তিনি।

সাকিবের প্রথম ওভারে রান আউট হয়ে ফিরে যান নিথিশ রানা। ১২তম ওভারে দলীয় রান তখন ২ উইকেটে ১০৮। ওই সময় সাকিব তার দ্বিতীয় ওভার করতে আসেন। শেষ বলে অসাধারণ এক ডেলিভারিতে দিনেশ কার্তিককে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান। এরপরই পাল্টে যায় ম্যাচটা। ভারতীয় ধারাভাষ্যকাররাও মেতে উঠেন সাকিবের প্রশংসায়।

পরের কাজগুলো করেন হায়দরাবাদকে চ্যালেঞ্জিং স্কোর এনে দেয়া রশিদ খান। একে একে লিন ও আন্দ্রে রাসেলকে ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচটি নিজেদের মধ্যে নিয়ে আসেন তিনি। যেখানে ৮৭ রান ছিল মাত্র ১ উইকেটে। সেখানে আর ৩০ রান যোগ করতেই পাঁচ উইকেট নাই। এর আগে রশিদ খানের অবিশ্বাস্য ইনিংসে ১৭৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর সংগ্রহ করে হায়দরাবাদ। মাত্র ১০ বলে খেলেন ৩৪ রানের ইনিংস।

পরে চার ওভারে ১৯ রান দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩ উইকেট নিয়ে কলকাতার ইনিংস জুড়ে আলোচনায় সেই রশিদ খান। শেষ ওভারের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দুটি ক্যাচও তালুবন্দি করেন আফগান এ তরুণ।

তবে অধিনায়ক উইলিয়ামস এটাও স্বীকার করলেন, সাকিব ৩ ওভার বোলিং করে মাত্র ১৬ রান দিয়ে কার্তিককে বধ করাটাই ম্যাচ জয়ের জন্য টার্নিং পয়েন্ট ছিল। ব্যাট হাতেও সাকিব ছিলেন সাবলীল। ২৪ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২৮ রান করেন। অবশ্য তার স্কোরটা আরও লম্বার করার সুযোগ ছিল। কিন্তু নন-স্ট্রাইকিং এন্ডে থেকেও দুর্ভাগ্যজনক রানআউটের শিকার হন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। তা যাই হোক কলকতাকে তো হারাতে পেরেছেন সাকিব। বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে এটাই সুখের।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here