পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হাতে নারীকে যে পরিমাণে নির্যাতিত হয়, তার বিরুদ্ধে সব রকমভাবে রুখে দাঁড়ানো প্রয়োজন। এর জন্য নারী নির্যাতন আইনসহ নানা ধরনের আইনি পথের ব্যবস্থাও রেখেছে সংবিধান। কিন্তু কখনও কম সংখ্যায় হলেও, এর উল্টোটাও কি ঘটে না?

চার দেওয়ালের ভেতরে অত্যাচারিত হয় পুরুষও। বউয়ের কাছে উঠতে-বসতে ঝাডড়ি খায়, সপ্তাহে এক-আধ বার মারও জোটে কপালে! কিন্তু তখন তার পাশে কে দাঁড়ায়?

স্বভাবতই লজ্জায় এসব কথা মুখ ফুটে পরম বন্ধুকেও বলে উঠতে পারে না অসহায় পুরুষ। নইলে পৌরুষের অভাবে ঠাট্টার পাত্র হতে হয় তাকে। তাহলে করণীয় কী?

পুরুষ নির্যাতন থেকে পরিত্রাণের উপায় কী?

১. এই নিয়ে পুরুষের জন্য সরাসরি কোনও আইন নেই। তবু এমন ঘটনা ঘটলে থানায় ডায়েরি করা যেতে পারে। তাতে বিরাট লাভ কিছু না হলেও, পরে বড়-সড় সমস্যার সৃষ্টি হলে, সুবিধা মিলবে।

২. একই ঘটনা বার বার ঘটলে একাধিকবার ডায়েরি করে রাখা উচিত।

৩. শারীরিক বা মানসিক ভাবে অত্যাচারিত হচ্ছেন, এই মর্মে আইনি নোটিশ পাঠাতে পারেন অত্যাচারিত স্বামীর আইনজীবী।

৪. দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচারিত হতে থাকলে, জুডিশিয়াল সেপারেশনের পথেও হাঁটা যেতে পারে।

৫. স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে, নির্দিষ্ট সময় পরে ডিভোর্সের মামলা করা যায়।

৬. তবে স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে, ডিভোর্সের পথে যাওয়ার আগে অবশ্য করণীয় হল তাকে ব্যক্তিগত চিঠি লিখে ফিরে আসার অনুরোধ করা। না ফিরলে তার ভরন-পোষণ বাবদ টাকা পাঠানোও। এতে অন্তত এটুকু প্রমাণ করা সম্ভব হবে যে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর প্রাথমিক দায়বদ্ধতাটুকু ছিল।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here