প্রস্তুতি কিয়েভের এনএসসি ওলিম্পিস্কি স্টেডিয়াম। প্রস্তুতি রিয়াল মাদ্রিদ ও লিভারপুল। প্রস্তুতি রোনালদো ও মোহাম্মদ সালাহও। এবার শুরুর অপেক্ষায় মহারণ। যে মহারণে ছুটবে উত্তেজনার ফুলকি। স্বপ্ন শিরোপা উচিয়ে ধরার। ইউরোপিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল শনিবার রাতে। যেখানে মুখোমুখি হবে স্পেনের রিয়াল মাদ্রিদ ও ইংল্যান্ডের লিভারপুল। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের আগে কথার লড়াই হচ্ছে বেশ। কেউ রিয়াল কেউ লিভারপুলকে এগিয়ে রাখছে। তবে রিয়ালের প্রাণভোমরা রোনালদো ও লিভারপুলের বিস্ময় মোহাম্মদ সালাহর দ্বৈরথ দেখতেও মুখিয়ে আছে কোটি কোটি দর্শক। রোমাঞ্চকর এক ফাইনালের অপেক্ষায় গোটা ফুটবল বিশ্ব।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সবচেয়ে সফল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। মোট ১২ বার ইউরোপে চ্যাম্পিয়ন। ১৯৫৫-৫৬ মৌসুমে যখন ইউরোপিয়ান কাপের যাত্রা শুরু হয় তখনই ‘ইউরোপের রাজা’র খ্যাতি পায়। আলফ্রেড ডি স্টিফানো ও ফেরেঙ্ক পুসকাসরা ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। তাতে প্রথম পাঁচবারই শিরোপা দখলে রাখে তারা।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, সার্জিও রামোস ও টনি ক্রসের হাতে ধরে সেই অসম্ভবকে সম্ভব করার দ্বারপ্রান্তে রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে টানা দুইবার শিরোপা জিতে নেয়। এবার কিয়েভে জয় পেলে প্রথম ক্লাব হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড গড়বে লস ব্লাঙ্কোসরা।

এদিকে ১৯৭০ এর দশকের শেষের দিকে ও ৮০’র দশকে প্রথমভাগে দাপট খোয় লিভারপুল। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যে ৯ বছরে পাঁচবার ফাইনাল খেলে। এর মধ্যে চারবারই ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরে। সর্বশেষ ২০০৫ সালে চমক দেখায় ইংলিশ ক্লাবটি। প্রিমিয়ার লিগে পঞ্চম স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করে। কিন্তু ইস্তাম্বুলে এসি মিলানকে হারিয়ে পঞ্চমবারের মতো ইউরোপে চ্যাম্পিয়ন হয়।

মুখোমুখি লড়াইয়েও এগিয়ে আছে লিভারপুল। মোট পাঁচবারের লড়াইয়ে রিয়ালকে তিনবার হারায়। অন্যদিকে রিয়াল জয় পায় দুইবার। তা ২০১৪-১৫ মৌসুমে গ্রুপ পর্বে। এবার শেষ হাসি কে হাসবে, তা দেখা যাবে কিয়েভে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here