নির্বাচনকে ঘিরে বাজেট, তাই আকারটাও একটু বেশি। থাকছে অনেক সুযোগ-সুবিধা। বিশেষ করে সরকারি চাকরিজীবীদের খুশি রাখতে তাদের বেতন বাড়ানো হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। ইতোমধ্যে বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে একটি প্রতিবেদনও চূড়ান্ত হয়েছে। শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদ সভায় সেটি তোলা হবে।

বেতন বাড়ানোর বিষয়টি এর আগে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে সরকারি চাকরিজীবীদের বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট (বেতন বৃদ্ধি) হবে। কিন্তু মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন বাড়ানোটা দুরূহ ব্যাপার। সে ধরনের অবকাঠামো এখনো গড়ে উঠেনি। তাই মূল বেতনের ১০ বা ১৫ শতাংশ ডিএ (ডেইলি অ্যালাউন্স) হিসাবে বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। আর বেতন বৃদ্ধির এ ঘোষণা আগামী বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করতে পারেন অর্থমন্ত্রী।

এর আগে সর্বশেষ ২০১৫ সালে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানো হয়েছিল। তার আগে বাড়ানো হয়েছিল ২০০৯ সালে। নতুন করে বেতন বাড়ানোর জন্য একটি কমিটিও করে দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ বেতনভাতা নির্ধারণ ও পরিবর্ধনের বিষয় পর্যালোচনা সংক্রান্ত এ কমিটি মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব করবেন।

৯ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে (সমন্বয় ও সংস্কার)। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, পরিসংখ্যান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও অর্থ বিভাগের একজন করে প্রতিনিধি।

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, সরকার যখন ভাববে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অসন্তুষ্ট হচ্ছেন, তখনই বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। যেমন এখন মূল্যস্ফীতির কারণে একটু অসন্তুষ্টি শুরু হয়ে গেছে। তাছাড়া সামনে নির্বাচন রয়েছে, তাই বেতন ২০ শতাংশও বাড়ানো হতে পারে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here