মানুষকে জাহান্নামের দিকে ধাবিত করার জন্য শয়তানের অন্যতম অস্ত্র হলো নগ্নতা। আমাদের আদি পিতা-মাতা আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.) কেও জান্নাত থেকে বের করার আগে নগ্ন করে ছেড়েছিল শয়তান।

আল্লাহ্‌ পাক বলেন, হে আদমসন্তান। শয়তান যেন তোমাদের কিছুতেই প্রলুব্ধ না করে– যেভাবে সে তোমাদের পিতামাতাকে জান্নাত থেকে বের করেছিল– সে তাদেরকে তাদের লজ্জাস্থান দেখাবার জন্য বিবস্ত্র করেছিল… (সূরা আরাফ ৭:২৭)

মানুষকে নগ্ন করে বিপথে নেয়ার শয়তানের সেই চক্রান্ত শেষ হয়নি, বরং যুগের পর যুগ ধরে বেড়েই গেছে। আর বর্তমানযুগে শয়তানের এই কার্যক্রম চরম মাত্রা লাভ করেছে ইন্টারনেট পর্নগ্রাফির কারণে। যদিও রমজান মাসে আল্লাহ পাক শয়তানকে বেঁধে রাখেন।

কিন্তু মনের শয়তান প্রত্যেকের মধ্যেই থাকে। যারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তারাই রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করে। আর যারা পারে না তারা তাদের শয়তানি কার্যক্রম চালিয়ে যায়। যে প্রভাব পবিত্র রমজান মাসেও অনেকের মধ্য দেখা যায়। অনেকের প্রশ্ন, রোজা রেখে ব্লু ফিল্ম কিংবা খারাপ কিছু দেখলে রোজা ভাঙে কি না?

তাদের জন্য একটাই উত্তর, অবশ্যই রোজা ভেঙে যাবে। সিয়াম শব্দের অর্থই হলো বিরত থাকা, সংযম করা (যেকোনো খারাপ কাজ থেকে)। আর যেহেতু ব্লু ফিল্ম দেখা অত্যন্ত খারাপ কাজ তাই এটা দেখলে রোজা ভেঙে যাবে। পর্নমুভি দেখা কিংবা হস্তমৈথুন আল্লাহ পাক হারাম ঘোষণা করেছেন। যারা এসব করেন তারা সীমা লঙ্ঘনকারী। আর এটা এতটাই মহাপাপ যে রোজার নিয়ত করার পর যদি কেউ কাজটি করে ফেলে তাহলে সেটা শুধু উপোস হবে রোজা হবে না।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here