শিরোনাম পড়েই কী অবাক! ভাবছেন, এ কেমন কথা। রবার্তো ফিরমিনো বর্তমানে ব্রাজিলের তারকা এক ফুটবলার। এক সময় তিনি ভিক্ষা করতেন? আসলেই তাই।

জানা গেছে, এই ফিরমিনো নাকি ছোটবেলায় ট্রেনিংয়ের অর্থ সংগ্রহের জন্য ভিক্ষা করতেন।

ব্রাজিলের যে জায়গায় তার জন্ম, সেই মাসেইও আলাগোয়াস কুখ্যাত দুষ্কৃতিমূলক কাজকর্মের জন্য। গুলির আওয়াজ, মারামারি, প্রাণহানি সেখানকার নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। রাস্তাঘাটে বেরোতে হতো প্রাণ হাতে নিয়ে। সে কারণেই ছোটবেলা থেকে ফিরমিনোকে বাবা-মা বাড়ির বাইরে যেতে দিতেন না। তারে ভয় হত, ছেলেও বুঝি দুষ্কৃতিদের দলে নাম লেখাবে।

স্কুলে যাওয়া-আসা বাদে বাবাকে পানির ব্যবসার কাজে সাহায্য করার জন্যে বাড়ির বাইরে বেরোনোর সুযোগ পেত ফিরমিনো। কিন্তু এভাবে তাকে আটকে রাখা যায়নি।

রাস্তাঘাটে তার বয়সী ছেলেদের ফুটবল খেলতে দেখে ফিরমিনোও ঠিক করে, তাকেও বেরোতে হবে। বাড়ির তালার নকল চাবি বানিয়ে ফেলল গোপনে। গভীর রাতে যখন বাবা-মা ঘুমোয়, সে তখন বেরিয়ে যেত ফুটবল খেলতে। ব্যাপারটা কিছুদিন পরেই বাবা-মার কানে পৌঁছায়।

কিন্তু পাড়া প্রতিবেশীরা জানান, ফিরমিনো সত্যিকারের প্রতিভাবান। ফলে তাকে যেন ফুটবল খেলতে বাধা না দেয়া হয়। আর্থিকভাবে একেবারেই সাহায্য করতে পারতেন না তার বাবা-মা। ফলে ট্রেনিংয়ের অর্থ জোগাড়ের জন্য রাস্তায় রাস্তায় হাত পেতে ভিক্ষা করতেন ফিরমিনো। আর এই ভিক্ষা করতে গিয়ে নানা অপমানের মুখোমুখিও হয়েছেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here