প্রত্যেকেই বহু আশা নিয়ে সংসার জীবন শুরু করেন। এরমধ্যে কেউ কেউ সুখি হন, আবার পারিবারিক অশান্তির কারণে কারো কারো সংসার ভেঙ্গে যায়। শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও এর ব্যতিক্রম নয়। তারকাদের মধ্যে অনেকেই আছেন কাজের সূত্রে পরিচয় হয়ে, সে সম্পর্ক গড়িয়েছে প্রেম ও বিয়েতে। তবে সংসার জীবনে খুব বেশিদিন একসঙ্গে থাকতে পারেননি তারা। মতের অমিল হওয়ায় অবশেষে বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন তারা।

জয়া–ফয়সাল
বর্তমানে দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানের আগের স্বামী ছিলেন মডেল ফয়সাল। প্রেম করে বিয়ে করেন তারা। বিয়ের পর ধানমন্ডিতে প্রেমের সোপান হিসেবে একটি ফাস্টফুডের দোকান খুলতেও দেখা যায় তাদের। সুখেই চলছিল তাদের সংসার। কিন্তু হঠাৎ অজানা কিছু বিষয় নিয়ে মনোমালিন্যের ঝড় বইতে শুরু করে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। স্বামী ফয়সাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাকে ডিভোর্স লেটার পাঠান জয়া।

তাহসান–মিথিলা
দীর্ঘ ১১ বছরের সংসারের ইতি টানেন জনপ্রিয় এই জুটি। এ নিয়ে মিডিয়া পাড়ায় নানা গুজব থাকলেও তারা কেউ কাউকে দোষারোপ করেননি কখনো। সম্পর্কচ্ছেদের পরেও মেয়ে আয়রা তেহরিম খানকে ঘিরে তাদের যোগাযোগ রয়েছে। বর্তমানে আয়রা থাকে মিথিলার সঙ্গে। তবে মাঝেমধ্যে তাহসানের কাছেও যায়।

অপূর্ব–প্রভা
অপূর্ব-প্রভার বিচ্ছেদ হয়ে গেছে কম দিন হলো না। ভালোবেসে বিয়েও করেছিলেন তারা। কিন্তু প্রভার জীবনে দুঃসহ এক ঘটনাচক্র তাদের সংসারকে এলামেলো করে দেয়। একটি নোংরা ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার জেরে অপূর্ব ডিভোর্স দেন প্রভাকে। তারপর আর একসঙ্গে কাজ করা হয়নি তাদের।

রায়হান–নোভা
নাট্য নির্মাতা রায়হান খান ও অভিনেত্রী নোভা। ছয় বছর সংসার করার পর গত বছরের ২৬ আগস্ট তারা পরষ্পরকে ছেড়ে যান। স্বামীর পরিচালনায় বহু নাটকে অভিনয় করেছেন নোভা। কিন্তু ডিভোর্সের পরে কি কাজ করা হবে? ‘অবশ্যই হবে। যখন ডিভোর্স হয়ে যায়। তখন আমাদের একটা কাজ চলছিলো। অবশ্য যখন আমাদের বিয়ে হয় তখনও একটা ধারাবাহিকের কাজ চলছিলো। আমরা সামনে কাজ করবো। ওর কাজের প্রতি আমার সম্মান আছে। নির্মাতা হিসেবে ও ভালো। সেখানে কোন সন্দেহ নেই আমার। আর আমার ক্যারিয়ারে ও ভিন্ন মাত্রাও এনে দিয়েছে। সে ব্যাপারটাও নি:সন্দেহে বলা যায়। আমরা আবারো একসঙ্গে কাজ করবো এটা বলা যায়।’

অমিতাভ–জেনি
অমিতাভ রেজার হাত ধরে মডেলিংয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে জেনি। বিয়ে করে অমিতাভের অসংখ্য জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনেরও মডেল হয়েছেন। পরবর্তীতে ডিভোর্সের পর তারা আর একসঙ্গে কাজ করেননি।

নীরব–সারিকা
তেমনি প্রেমের সম্পর্ক ভাঙ্গার পরেও একসঙ্গে আর কাজ করেননি নীরব- সারিকা কখনো একসঙ্গে কাজ করেননি।

হৃদয় খান-সুজানা
সংগীতশিল্পী হৃদয় খান তার চেয়ে বয়সে সাত বছরের বড় মডেল ও অভিনেত্রী সুজানাকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। তবে বিয়ের বছর পূর্তির আগেই গত বছর এ তারকা দম্পতির বিচ্ছেদ ঘটে।

হুমায়ুন ফরিদী-সুবর্ণা মুস্তাফা : ফরিদী তার প্রথম স্ত্রী মিনুর সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করে ১৯৮৪ সালে অভিনেত্রী সুর্বনা মুস্তফাকে বিয়ে করেন। এই দম্পতি দীর্ঘ ২৪ বছর একসঙ্গে সংসার করেন। ২০০৮ সালে সুর্বনা ডিভোর্স দেন হুমায়ুন ফরিদীকে এবং এর পরপরই বিয়ে করেন নাট্য পরিচালক বদরুল আনাম সৌদকে।

তবে আজাদ আবুল কালাম ও বন্যা মির্জার সম্পর্কচ্ছেদের পরেও একসঙ্গে নাটকে দেখা গেছে। সে পথে হাটতে পারেননি আফসানা মিমি ও গাজী রাকায়েত। একসঙ্গে আর কাজ করা হয়নি তাদের।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here