মানুষের আরাম আয়েশের জন্য ফাইভস্টার হোটেলে রয়েছে অনেক রকম বন্দোবস্ত। কিন্তু এবার ঘোড়ার আরাম আরা আয়েশের জন্য আস্তাবলের বদলে কাতারে গড়ে উঠেছে অন্যরকম এক ফাইভস্টার হোটেল। যেখানে ঘোড়ার আরাম আয়েশের জন্য যেসব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে তা দেখলে ঈর্ষা হবে মানুষরই।

কী নেই হোটেলটিতে! সারাদিনের দৌড় ঝাঁপে ক্লান্ত ঘোড়ার মনোরঞ্জন করতে হোটেলে রয়েছে সুইমিং পুল, বিউটি পার্লার। পরিশ্রমী ঘোড়াদের ঝকঝকে করে তুলতে স্পার ব্যবস্থা আছে সেখানে। ঘোড়াদের তাগড়াই করতে আছে জিম। সেখানে ঘোড়াদের প্রশিক্ষণ দিতে আছেন বেশ কয়েকজন জিম প্রশিক্ষক। প্রতিদিন নিয়ম করে ঘোড়াগুলিকে ‘গ্রুম’ করাই তাদের কাজ।

ঘোটকদের পরিচর্যার উদ্দেশ্যে নির্মিত ‘আল শাকাব’ নামে বিলাসবহুল পাঁচতারা হোটেলটির আকারও তাই ঘোড়ার পায়ের ক্ষুরের মত।

এমনিতে মরুপ্রদেশীয় কাতার দিনেরবেলা মারাত্মক দাবদাহ জ্বলতে থাকে। সূর্যের প্রখর তেজ অনেকসময় কাবু করে দেয় ঘোড়াদের। তাই প্রায় ৭৪০টির মত ঘোড়ার শরীর মন জুড়োতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের ব্যবস্থা আছে হোটেলে। আছে ঘোড়াদের পেট ও প্রাণ ভরে খাওয়ার সুন্দর ডাইনিং হল।

সুইমিং পুলে সাঁতার কাটছে ঘোড়া

এটুকুতেই থেমে নেই ঘোড়াদের খাতিরযত্ন। সব কিছু ঠিকঠাক চললে আর কিছুদিনের মধ্যে ঘোটক, ঘোটকি ও তাদের পরিবারের জন্য সবুজ গালিচায় মোড়া সাততারা হোটেল খোলার ইচ্ছা আছে আল শাকাবের। এসবের পাশাপাশি হর্স রাইডিং, ঘোড়ার প্রতিপালন পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে আগামী প্রজন্মকে প্রশিক্ষণ দিতেও উদ্যোগ নিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। সবমিলিয়ে কাতারের রাজধানী দোহার উপকণ্ঠে অবস্থিত হোটেলটি এককথায় হয়ে উঠেছে ঘোড়াদের বেহেস্ত।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here