এবার রাজনীতির মাঠে মাশরাফি-সাকিব (!) শিরোনামে পত্রিকায় খবর প্রকাশের পর নড়াইল-২ আসনের বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জিন্নাহ বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দলের মনোনয়ন বোর্ড যাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেবেন তার পক্ষেই আমরা কাজ করবো।

তবে গত নির্বাচনেও দেখা গেছে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের দলের সভাপতি শেখ হাসিনা প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন এবং তারা বিজয়ী হয়েছেন। সে দৃষ্টিকোণ থেকে মাশরাফি নড়াইলের কৃতি সন্তান ও দেশবরেণ্য ক্রিকেটার এবং আওয়ামী পরিবারের সদস্য। তাকেও ওই ক্যাটাগরিতে নেত্রী মনোনয়ন দিলে আমরা তার পক্ষে কাজ করবো।’

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম নবী বলেন, ‘মাশরাফি ইতোমধ্যে নড়াইল এক্সপ্রেস নামে নড়াইলে একটি সংগঠনের মাধ্যমে সামাজিক ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করেছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাকে খুব পছন্দ করেন। নেত্রী যদি তাকে নড়াইল-২ আসনে মনোনয়ন দেন, তাহলে সঠিক সিদ্ধান্ত হবে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এবং এ আসনটি জয় করতে আওয়ামী লীগের মোটেই কষ্ট হবে না।’

নড়াইল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মো. হাসানুজ্জামান বলেন, ‘রাজনীতির ধারাবাহিকতায় স্থানীয় রাজনীতিবিদদের কিছু চাওয়া পাওয়া থাকে। সে ক্ষেত্রে দলের স্থানীয় নেতৃত্ব মনোনয়ন চাইবেন। তারপরও যদি দলের সভানেত্রী কোন ক্যাটাগরিতে বিশেষ কোন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেন তাহলে অবশ্যই দলীয় নেনতাকর্মীরা তার পক্ষে কাজ করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। তাছাড়া মাশরাফি এমন একজন ব্যক্তি যাকে সবাই পছন্দ করেন।’

নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মীর্জা নজরুল ইসলাম বলেন মাশরাফিকে নড়াইল-২ আসনে মনোনয়ন দিলে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবে বলে মনে হয় না।

মাশরাফির বাবা গোলাম মর্তুজা স্বপন বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগ করি। আমি সদর থানা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য। এক কথায় আমরা আওয়ামী পরিবার। আমার সন্তান বলে বলছি না, মাশরাফিকে নড়াইলের মানুষ খুব ভাল বাসেন। তবে মাশরাফি এখনই রাজনীতিতে আসবে কিনা সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। তবে, দলের সভানেত্রী মনোনয়ন দিলে নড়াইলবাসী তাকে বিজয়ী করবে।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here