দ্রুতগতির ট্রেনের জন্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত নির্মাণ হবে নতুন রেল লাইন। আর এটা চালু হলে যাতায়াতে সময় লাগবে মাত্র ২ ঘণ্টা। প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইনের জন্য প্রথমে পরামর্শক নিয়োগ করছে সরকার। বৃহস্পতিবার দুপুরে রেল ভবনে এ সংক্রান্ত চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।

পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছে চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন (সিআরডিসি), চায়না এবং মজুমদার এন্টারপ্রাইজ (এমই), বাংলাদেশ কনসোর্টিয়াম। ১৮ মাস সময় দিয়ে পরামর্শক কাজে ১০২ কোটি ১০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৩০ টাকার চুক্তি হচ্ছে।

জানা গেছে, দ্রুতগতির রেলপথটি ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা হয়ে চট্টগ্রামে যাবে। বর্তমানে ঢাকা থেকে প্রথমে উল্টো পথে টঙ্গী, পূবাইল হয়ে ঘুরে কুমিল্লা যেতে হয়। আর এতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের বর্তমান দূরত্ব ৩২০ কিলোমিটার। অথচ প্রস্তাবিত রেল লাইনটির দৈর্ঘ্য মাত্র ২৩০ কিলোমিটার। এ পথে ট্রেন চলবে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে।এতে করে যাত্রীদের সময় বাঁচার পাশাপাশি রেলেরও অপারেটিং ব্যয় কমবে। একইভাবে কমবে পরিবহন ব্যয়ও।

দ্রুতগতির ট্রেন প্রসঙ্গে রেলের কর্মকর্তারা বলেন, হাইস্পিড ট্রেন চালু হলে ঢাকা থেকে ২ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে যাওয়া সম্ভব হবে। বিমানযোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম গিয়ে বিমানবন্দর থেকে দুই নগরী পর্যন্ত সড়কপথে যাতায়াতের সময় যোগ করলে আকাশপথের চেয়েও এতে কম সময়। এ ছাড়া সহজ হবে পণ্য পরিবহনও। কারণ রাতের একটা বড় অংশের যাত্রীদের যাতায়াতের তেমন প্রয়োজন হবে না। তখন ওই পথে চলবে পণ্য পরিবহন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here