ফুটবল পায়ে চমক দেখাতে ভালবাসেন। তাই জন্যে গোটা বিশ্ব তাকে ডাকে ‘ওয়ান্ডার কিড’ বলে। কিন্তু বার্সেলোনায় আসার পর থেকে এখনও কোনও ‘ওয়ান্ডার’ দেখাতে পারেননি। আসন্ন বিশ্বকাপে তার দেশের হয়ে প্রত্যেক ম্যাচে নামবেনই, এমন গ্যারান্টিও দেয়া যাচ্ছে না। কিন্তু ওসমানে ডেমবেলের মধ্যে সমস্ত রকম সম্ভাবনা রয়েছে বিশ্বকাপের অন্যতম তারকা হয়ে ওঠার।

উত্তর ফ্রান্সের ভার্ননে জন্ম ডেমবেলের। বাবা-মা দুজনেই জীবিকার স্বার্থের পশ্চিম আফ্রিকার মরিশানিয়া থেকে চলে এসেছিলেন ফ্রান্সে। ছোটবেলায় প্রচণ্ড চুপচাপ ছিলেন ডেমবেলে। কিন্তু ফুটবল বলতে পাগল। এতটাই যে ছোটবেলায় বাবা-মাকে নাকি স্পষ্ট বলে দিয়েছিলেন, পড়াশুনা করতে চান না। শুধু ফুটবলই খেলতে চান। অবাক হয়েছিলেন বাবা ওসমানে সিনিয়র এবং মা ফতিমাতা। কিন্তু ছেলের আগ্রহ দেখে খুশিও হয়েছিলেন। তার অন্যতম কারণ, ওসমানে ভাই-বোন পড়াশুনায় অত্যন্ত ভালো ছিলেন। তাই পরিবারের ছোট ছেলে তার পছ›সই কাজই করুক, এটাই ছিল ডেমবেলের বাবা-মায়ের ইচ্ছা।

মাত্র ছয় বছর বয়সে মায়ের সঙ্গে রেনেসে চলে এসেছিলেন তার কাকা সামবাগের সঙ্গে। সামবাগ পেশাদার ফুটবলার ছিলেন। ছোট ডেমবেলের কাছে তার কাকাই তখন ছিলেন রোলমডেল। কাকার কাছ থেকেই ফুটবলে হাতেখড়ি। মাত্র সাত বছর বয়সেই স্থানীয় ম্যাডেলেন এভ্রিক্স ক্লাবের ইউ অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হয়ে যান। সেই শুরু। ২০১০ সালে ডেমবলে যোগ দেন রেনেসের দ্বিতীয় ডিভিশনে। এরপর প্রথম ডিভিশনেও খেলেন। ফ্রান্সের ঘরোয়া লিগে রীতিমতো আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন। থিয়েরি অরি এবং অ্যান্থনি মার্শিয়ালের পরে তরুণতম ফুটবলার হিসেবে ১০ গোলের গন্ডি টপকান। ছ’বছর রেনেসে কাটানোর পরে ডেমবেলে যোগ দেন বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here