লাস্যময়ী রূপের পিছনে থাকে কত অব্যক্ত যন্ত্রণা তা ভালো করেই জানেন এপ্রিল কস্কন। এই সুন্দরীকে বেঁচে থাকার জন্য মাঝে মাঝে ৫০টি পর্যন্ত বৈদ্যুতিক শক নিতে হয়। বারো বছর বয়সে মৃগী রোগ ধরা পড়ে এপ্রিলের। তারপর থেকেই মূলত জীবনঘাতী পরিস্থিতি চলে আসে।

জটিল অস্ত্রোপচারে তার বুকে একটি যন্ত্র প্রতিস্থাপন করা হয়। তার মাধ্যমে এপ্রিলের মস্তিষ্কে বৈদ্যুতিক শক যায়। যাতে মৃগীর প্রকোপ আটকানো যায় ।

ইলেকট্রিক শক নিচ্ছেন এপ্রিল

প্রথমে এপ্রিল ভাবতেই পারেননি এভাবে বেঁচে থাকতে পারবেন। এখন ওই বৈদ্যুতিক শক জীবনের অঙ্গ হয়ে গেছে। জানেন ওটাই তার জীবনদায়ী। এভাবে শুধু স্বাভাবিকভাবে বেঁচেই আছেন‚ তা নয়‚ জীবনকে রীতিমতো উপভোগ করছেন এপ্রিল। থাকেন ইংল্যান্ডে, ইতিমধ্যেই জয়ী হয়েছেন একাধিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায়।

কখন‚ কতবার শক দেওয়া হবে নিজেই ঠিক করেন এপ্রিল। মৃগীর প্রকোপ শুরু হচ্ছে বুঝতে পারলেই এপ্রিল বৈদ্যুতিক শক এর দ্বারস্থ হন। যন্ত্রণা পান ঠিকই, কিন্তু এও বোঝেন ওই বৈদ্যুতিক শকই তাকে রক্ষা করছে মৃগীর আক্রমণ থেকে।

এর মধ্যেও স্বাভাবিক পথেই এগোয় জীবন। শুধু শক দেওয়ার সময় যদি চারপাশে বন্ধুরা থেকে থাকে‚ তাদের দূরে সরে যেতে বলেন এপ্রিল। নইলে তাদের আহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এই প্রতিবন্ধকতা নিয়েই আরও‚ আরও সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় জয়ীর শিরোপা পরতে চান সুন্দরী এপ্রিল।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here