টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক নিহতের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, একজন ম্যাজিস্ট্রেট পুরো বিষয়টি তদন্ত করবেন। তার দেওয়া প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কাউকে দোষী পাওয়া গেলে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

একরামুল হক নিহতের পর ৩১ মে তার স্ত্রী কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে একটি অডিও প্রকাশ করেন। অডিওর সূত্র ধরে একরামের স্ত্রী অভিযোগ করেন, তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। অডিও প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল তার ধানমন্ডির বাসায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

গত ২৬ মে রাতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৭) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন একরামুল হক। পরে র‌্যাব দাবি করে, একরামুল হক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব আরো দাবি করে, একরামুল হক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী, শীর্ষ গডফাদার। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মাদক আইনে মামলা রয়েছে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, একজন ম্যাজিস্ট্রেট বিষয়টি তদন্ত করবেন। ওই ম্যাজিস্ট্রেট্রের দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ যদি প্রলুব্ধ হয়ে এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী পাড়ার মৃত আবদুস সাত্তারের ছেলে একরামুল হক নিজ পৌরসভায় তিনবার নির্বাচিত কাউন্সিলর ছিলেন। এছাড়া তিনি টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের প্রাক্তন সভাপতি, টেকনাফ বাস স্টেশন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও টেকনাফ মাইক্রো শ্রমিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক ছিলেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here