চলন্ত বাসে আবারও যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এআইইউবি) কম্পিউটার সাইন্স বিভাগের ছাত্রীকে দেওয়ান পরিবহনের বাসে হয়রানি করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশকে অভিযোগ না জানালেও বিষয়টি নিজের ফেসবুক পেজে তুলে ধরেছেন ওই তরুণী।

ওই ছাত্রী লেখেন, এআইইউবি থেকে বাসায় যাওয়ার জন্য বসুন্ধরা গেটে অপেক্ষা করছিলাম, বাস পাচ্ছিলাম না বনশ্রী যাওয়ার জন্য। অবশেষে দেওয়ান পরিবহনের বাসে উঠলাম বাড্ডা পর্যন্ত যাওয়ার জন্য। বাসে ওঠার পর দেখি বাসে কেউ নাই, পিছনের সিটে দুই একজন বসে অাছে। আমি বাসের দরজার মধ্যেই দাঁড়িয়েছিলাম, হঠাৎ করেই বাস কন্ডাক্টর আমার পেছনে বাজেভাবে হাত দেয়। আমি বাস থামানোর জন্য চিৎকার করি।

কিন্তু বাস থামাচ্ছে না, বলছে বাস থামানো যাবে না, তখন আমি নিজেকে সেফ করতে বাস থেকে লাফ দেই এবং আমার হাত পা কেটে যায়। আমি কান্না করতে শুরু করি এবং কিছু লোকজন আসে, তারা বাসটিকে ধরার জন্য চেষ্টা করেন, কিন্ত বাসটি পালিয়ে যায়।

অবশেষে আমার ফ্রেন্ড কৌশিককে ফোন দেই, সে এসে আমাকে বাসায় দিয়ে যায়। এমতাবস্থায় আমার কী করণীয়? কী করবো? বড় ভাই বোনদের মতামত আশা করছি। এখন যদি তাদের বিরুদ্ধে কিছু না করা যায় তাহলে আজ আমাকে, অন্যদিন অন্য কাউকে শ্লীলতাহানি করা হবে।

মাসখানেক আগেই উত্তরার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী তুরাগ বাসে যৌন হয়রানির শিকার হন। তারও কয়েকমাস আগে একই ঘটনা ঘটে আগারগাঁও এলাকায়। দিন দিন এ ঘটনাটি এতোই বাড়ছে যে, যাত্রী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভয়াবহ এক তথ্য। তারা জানায়, ১৩ মাসে গণপরিবহনে ২১ নারী ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here